শিক্ষাবিদ অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর ১০১তম জন্মবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত: ৬:০৬ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৪

শিক্ষাবিদ অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর ১০১তম জন্মবার্ষিকী আজ

Manual4 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ : প্রগতিশীল নাগরিক আন্দোলনের পুরোগামী নেতা, বরেণ্য শিক্ষাবিদ, লেখক অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর ১০১তম জন্মবার্ষিকী আজ।

১৯২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহন করেন।
জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’ বিস্তারিত কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আগামীকাল বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সঙ্গীত, নৃত্যকলা ও আবৃত্তি মিলনায়তনে অধ্যাপক কবীর চৌধুরী স্মারক বক্তৃতা, আলোচনাসভা, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আলোচনাসভায় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী স্মারক বক্তৃতা প্রদান করবেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নাট্যকার মামুনুর রশীদ।

Manual5 Ad Code

‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’র সভাপতি লেখক সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করবেন ‘ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইন্সটিটিউট’-এর সাম্মানিক সভাপতি নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সহসভাপতি শিক্ষাবিদ শহীদজায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী দক্ষিণ এশীয় গণসম্মিলনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, বাংলাদেশ যাত্রাশিল্প উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি মিলন কান্তি দে, সুরের ধারার সভাপতি সঙ্গীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং জামায়াতে ইসলামীর মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধকরণের দাবিতে ৩২ বছর আগে শহীদজননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে যে অভূতপূর্ব নাগরিক আন্দোলন সূচিত হয়েছিল এর প্রধান নেতাদের অন্যতম ছিলেন অধ্যাপক কবীর চৌধুরী। মৃত্যুর পূর্বে দীর্ঘ ২০ বছর তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন ’৭১-এর ঘাতক ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং তাদের মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধকরণের আন্দোলনে।
১৯৯২ সালের ২৬ মার্চ ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শহীদজননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা গোলাম আযমের বিচারের জন্য যে ঐতিহাসিক গণআদালত বসেছিল, তার অন্যতম বিচারকও ছিলেন অধ্যাপক কবীর চৌধুরী। আমৃত্যু একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতির পদ অলঙ্কৃত করেছেন তিনি। মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী দক্ষিণ এশীয় গণসম্মিলন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ কেন্দ্র সহ অনেক সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন কবীর চৌধুরী।

Manual1 Ad Code

আলোচনা সভা শেষে অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে সাইফউদ্দিন রুবেল পরিচালিত প্রামাণ্যচিত্র ‘নাই বা হলো পারে যাওয়া’র উদ্বোধনী প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

Manual8 Ad Code

 

Manual7 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ