ব্যবসা সম্প্রসারণে ইএসজি কমপ্লায়েন্স রিপোটিং স্ট্যান্ডার্ড থাকা জরুরী

প্রকাশিত: ৪:৪৩ অপরাহ্ণ, মে ১৮, ২০২৪

ব্যবসা সম্প্রসারণে ইএসজি কমপ্লায়েন্স রিপোটিং স্ট্যান্ডার্ড থাকা জরুরী

Manual5 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ১৮ মে ২০২৪ : দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইএসজি (এনভায়রনমেন্টাল, সোশাল অ্যান্ড গভার্নেন্স) কমপ্লায়েন্সের রিপোটিং স্ট্যান্ডার্ড থাকা জরুরি। এজন্য ইএসজি বাস্তবায়নে একটি স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করতে হবে এবং শিল্পনীতি ও এসএমই নীতিমালায় ইএসজি কমপ্লায়েন্স বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত করার প্রয়োজন।

শনিবার (১৮ মে ২০২৪) মতিঝিল ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ইএসজি কমপ্লায়েন্সের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা একথা বলেন।

ঢাকা চেম্বার অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মুনিম হাসান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি আশরাফ আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে বেসরকারি খাতের পাশাপাশি সরকারি সংস্থাগুলোতে ইএসজি রিপোর্টিংয়ের ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা ইতিবাচক একটি বিষয়।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ব্যাংক সকল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য ‘এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড সোশাল রিস্ক ম্যানেজমেন্ট (ইএসআরএম)’ বিষয়ক গাইডলাইন প্রকাশ করেছে এবং বাংলাদেশ সিকিরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন লিস্টেড কোম্পানীগুলোর জন্য তাদের বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে ইএসজি রিপোটিংয়ের অর্ন্তভূক্তি বাধ্যতামূলক করেছে।

Manual5 Ad Code

তিনি বলেন, বৈশ্বিক নামীদামী প্রতিষ্ঠানসমূহ বিদেশি বিনিয়োগ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ইএসজি’র বিষয়টি অতীব গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে থাকে, তাই বিশেষ করে বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষনে আমাদেরকে এর ব্যবহার বাড়ানোর উপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

Manual6 Ad Code

শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর মহাপরিচালক মো. মুনিম হাসান বলেন, প্রতিটি খাতেই কমপ্লায়েন্স অত্যন্ত জরুরী, বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কমপ্লায়েন্স বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করে থাকে।

Manual4 Ad Code

তিনি বলেন, পরিবেশগত কিংবা সামাজিক কমপ্লায়েন্স প্রতিপালনে আমাদের প্রত্যেককে আলাদা-আলাদা ভাবে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউনিডোর আবাসিক প্রতিনিধি জাকি উজ্জ জামান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের (বিএবি) মহাপরিচালক মু. আনোয়ারুল আলম, এসজিএস বাংলাদেশ লিমিটেডের বিজনেস ম্যানেজার ইয়াসমিন আক্তার, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. সলিম উল্লাহ, ইকোটেক্স লিমিটেডের পরিচালক মোহাম্মদ বিন কাসেম, যুক্তরাজ্যের লিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং অধ্যাপক ড. এম নিয়াজ আসাদুল্লাহ, ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি মালিক তালহা ইসমাইল বারী প্রমূখ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

Manual5 Ad Code