ভাষাসংগ্রামী ডা. সাঈদ হায়দারের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত: ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০২৪

ভাষাসংগ্রামী ডা. সাঈদ হায়দারের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

Manual2 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ১৫ জুলাই ২০২৪ : বাঙালির ভাষা আন্দোলনে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক পাওয়া ভাষাসংগ্রামী ডা. সাঈদ হায়দারের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

Manual5 Ad Code

তিনি ২০২০ সালের ১৫ জুলাই বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর উত্তরার ক্রিসেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
হাসপাতালটির ব্যবস্থাপক তোফাজ্জল হোসেনের তথ্য মতে, ডা. সাঈদ হায়দার ২০২০ সালের জুন মাসে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপর করোনাভাইরাস থেকে সেরে ওঠার পর তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হন।
এরপর তাকে ক্রিসেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৫ জুলাই বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি মারা যান।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় সাঈদ হায়দার ঢাকা মেডিকেল কলেজের এমবিবিএসের শিক্ষার্থী ছিলেন। ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে রাজপথে রক্ত ঝরার দুই দিন পর ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা প্রথম শহীদ মিনার গড়ে তুলেছিলেন। ওই শহীদ মিনারের মূল নকশাকার ছিলেন বদরুল আলম। তাকে সহযোগিতা করেছিলেন সাঈদ হায়দার। পরে সেই শহীদ মিনার পাকিস্তান সেনাবাহিনী ধ্বংস করে দেয়।

সাঈদ হায়দার ১৯২৫ সালে পাবনায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫২ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং ১৯৫৮ সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক হেলথে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা নেন। তিনি ইপিআইডিসির চিফ মেডিকেল অফিসার ছিলেন। চাকরির ধারাবাহিকতায় বিটিএমসি থেকে ১৯৮৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন।

Manual2 Ad Code

পেশাগত কাজের অবসরে বিজ্ঞান বিষয়ে লেখালেখি করতেন সাঈদ হায়দার। তার প্রথম বই ‘রোগ নিরাময় সুস্থ জীবন’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৯ সালে। বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যের পটভূমিতে তার লেখা ‘লোকসমাজ চিকিৎসাবিজ্ঞান’ নামের বৃহদাকারের বইটি বাংলা একাডেমি তিনটি খণ্ডে প্রকাশ করে। তার আত্মজৈবনিক গ্রন্থ ‘পিছু ফিরে দেখা’।

ভাষা সংগ্রামে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার সাঈদ হায়দারকে ২০১৬ সালে একুশে পদকে ভূষিত করে। তিনি ছিলেন একুশের চেতনা পরিষদের সহ-সভাপতি।
সাঈদ হায়দারের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে তৎকালীন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, “ডা. সাঈদ হায়দারের মৃত্যুতে দেশ একজন প্রকৃত নিবেদিতপ্রাণ ভাষা সংগ্রামীকে হারাল, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। ভাষা আন্দোলন এবং মাতৃভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠায় তার অবদান জাতি আজীবন কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করবে।”

সাঈদ হায়দারের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি।

Manual4 Ad Code

ভাষাসংগ্রামী ডা. সাঈদ হায়দারের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, সাপ্তাহিক নতুনকথা’র বিশেষ প্রতিনিধি, আরপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান।

 

Manual1 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ