সৌদি আরবে দুর্ঘটনায় লক্ষীপুরের সেরাজুলের মৃত্যু, অর্থ সংকটে দেশে লাশ আনতে পারছে না পরিবার

প্রকাশিত: ১১:২২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৯, ২০২৫

সৌদি আরবে দুর্ঘটনায় লক্ষীপুরের সেরাজুলের মৃত্যু, অর্থ সংকটে দেশে লাশ আনতে পারছে না পরিবার

Manual6 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | লক্ষ্মীপুর, ০৯ আগস্ট ২০২৫ : সৌদি আরবে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে লক্ষীপুরের সেরাজুল বেপারির। অর্থের অভাবে দেশে লাশ আনতে পারছে না পরিবারের সদস্যরা।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট ২০২৫) বাংলাদেশ সময় আনুমানিক ০৫টার দিকে সৌদি আরবে ডিউটিরত অবস্থায় এক্সিডেন্টে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। (ইন্না-লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সেরাজুল বেপারী লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার ২ নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের উত্তর চরবংশী, মুলা বেপারি বাড়ি নিবাসী মৃত সেকান্দর বেপারির ছোট ছেলে।

তার লাশ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ মনুসিয়া রিমন মেডিকেল মর্গে রাখা হয়েছে।

Manual3 Ad Code

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে ও বৃদ্ধা মা সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।
মৃত সেরাজুল বেপারির মা জানান, তার ছেলের লাশ বাংলাদেশে আনতে ৩ লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু এত টাকা জোগাড় করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই তার ছেলেকে শেষ দেখা পরিবার বর্গের সুযোগ হবে না।

Manual4 Ad Code

এদিকে দুর্ঘটনায় মৃত সিরাজুল বেপারির স্ত্রী আমাদের প্রতিবেদককে বলেন, আমার স্বামী টাকা ধার দেনা করে বিদেশে গিয়েছেন। দেনা পরিশোধ করার আগেই দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু ঘটে। যে কয় টাকা বেতন পেতেন তা দিয়ে খুবই কষ্টে পরিবারের খরচ চালানো হতো। সঞ্চয় বা অবশিষ্ট বলে কোন টাকা থাকতো না। তাই টাকার অভাবে আমার স্বামীর লাশ দেশে আনা সম্ভব হবে না। এতে স্বামীর মুখটাও হয়তো শেষ দেখা হবে না।

Manual6 Ad Code

এদিকে অত্র এলাকার আস – সবুর ফাউন্ডেশন জানান, ১ লাখ টাকা তারা জোগার করে দিতে পারবে কিন্তু তিন লক্ষ টাকা তাদের পক্ষে দেয়া সম্ভব হবে না।

এলাকাবাসী জানান, বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয় যদি পাশে দাঁড়ায় তাহলে লাশ বাংলাদেশে আনা সম্ভব হতো।

Manual3 Ad Code

বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের লক্ষীপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব মেহেদী হাসান রাসেল বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশির এমন মৃত্যু কখনো কেউ কামনা করে না।বাংলাদেশ সরকারের কাছে আকুল আবেদন নিরীহ সেরাজুলের অসহায় পরিবারের সদস্যদের মুখের দিকে তাকিয়ে মৃত্যু সেরাজুলের লাশটি পরিবারের সদস্যদের কাছে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করলে অসহায় পরিবারটি চির কৃতজ্ঞ থাকবে।