লক্ষ্মীপুরে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ৭:৫২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৫

লক্ষ্মীপুরে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Manual2 Ad Code

মেহেদী হাসান রাসেল, বিশেষ প্রতিনিধি | লক্ষ্মীপুর, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ : বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে “গ্রাম আদালত কার্যক্রমের বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয়” শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Manual7 Ad Code

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫) সকাল সাড়ে ৯টায় আয়োজিত এ পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন।

Manual4 Ad Code

(প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব কুমার সরকার উপস্থিত থাকার কথা। কিন্তু তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।)

বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিবৃন্দ।

Manual1 Ad Code

সকালে নিবন্ধন ও স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। আলোচনায় জেলার জুলাই ২০২৪ থেকে জুন ২০২৫ মেয়াদের গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়। ইউএনডিপির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন প্রজেক্ট অ্যানালিস্ট শাহাদাত হোসেন।

সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। আলোচনার এক পর্যায়ে জানা যায়, বর্তমানে জেলার দুইজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন—লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম এবং রায়পুর উপজেলার ৪নং সোনাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইউসুফ জালাল কিসমত।

অ্যাডভোকেট ইউসুফ জালাল কিসমত বলেন, “সবাইই দক্ষতার সঙ্গে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। গ্রাম আদালতকে আরও কার্যকর করতে হলে আমাদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।”

সভায় বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত যত শক্তিশালী হবে, ততই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে। তারা গ্রাম আদালতের মামলা যথাযথভাবে পরিচালনার জন্য চেয়ারম্যানদের আন্তরিক ভূমিকার উপর জোর দেন।

সভাপতির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, “অনেক ক্ষেত্রে গ্রাম আদালত বিচার বিভাগের কিছু দিক থেকেও শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে। মানুষ সর্বপ্রথম আইনের সহায়তা পেতে গ্রাম আদালতের দ্বারস্থ হয়।”
তিনি আরও বলেন, গ্রাম আদালতকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণ সহজে ন্যায়বিচার পেতে সক্ষম হবে। এজন্য জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

দিনব্যাপী এ সভার সমাপনীতে বিভিন্ন সুপারিশ গ্রহণ করা হয় এবং আগামীদিনের কার্যক্রম ও মনিটরিং প্রক্রিয়া চিহ্নিত করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষে অংশগ্রহণকারীদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।

Manual4 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ