ঈদের আনন্দে শিশুদের মুখে হাসি, মৌলভীবাজারে ব্যতিক্রমী ‘মেহেদী উৎসব’ ও নতুন পোশাক বিতরণ

প্রকাশিত: ২:৪৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ২০, ২০২৬

ঈদের আনন্দে শিশুদের মুখে হাসি, মৌলভীবাজারে ব্যতিক্রমী ‘মেহেদী উৎসব’ ও নতুন পোশাক বিতরণ

Manual5 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার), ২০ মার্চ ২০২৬ : পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দকে আরও অর্থবহ করে তুলতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব) ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। শিশুদের জন্য আয়োজন করেছেন ‘মেহেদী উৎসব’ ও নতুন পোশাক বিতরণ কর্মসূচি, যা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

Manual5 Ad Code

শুক্রবার (২০ মার্চ ২০২৬) সকালে জেলার খুশালপুর গ্রামে তার নিজ বাসভবন প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উৎসবকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকা পরিণত হয় এক আনন্দঘন পরিবেশে। রঙিন সাজে সজ্জিত প্রাঙ্গণে শিশুদের উচ্ছ্বাস, হাসি আর হাতে আঁকা মেহেদীর নকশা মিলে তৈরি হয় এক হৃদয়ছোঁয়া দৃশ্য।

আয়োজনে অংশ নেওয়া শতাধিক শিশুর হাতে তুলে দেওয়া হয় নতুন পোশাক। পাশাপাশি তাদের জন্য মেহেদী পরানোর ব্যবস্থা করা হয়, যা ঈদের আনন্দকে আরও বিশেষ মহত্তম করে তোলে। অনেক শিশুই প্রথমবারের মতো এমন আয়োজনের অংশ হতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।

Manual6 Ad Code

আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী এমপি বলেন, “ঈদের আনন্দ সবার জন্য। সমাজের শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে সেটিই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করেছি তাদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে।”

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং সমাজের বিত্তবানদের এ ধরনের কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল, পুলিশ সুপার মো. বিল্লাল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান, দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার প্রতিনিধি ও শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর সালাউদ্দিন, গণমাধ্যমকর্মী মো. আলাউদ্দিনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা এই উদ্যোগকে মানবিক ও সময়োপযোগী উল্লেখ করে আয়োজককে ধন্যবাদ জানান।

জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন, “এ ধরনের আয়োজন সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয়। শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোই সবচেয়ে বড় সাফল্য।”

পুলিশ সুপার মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, “ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং অনুকরণীয়।”

Manual7 Ad Code

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা শিশুদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।

সামগ্রিকভাবে, এ আয়োজন শুধুমাত্র উপহার বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এটি ছিল ভালোবাসা, সহমর্মিতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য প্রকাশ। ঈদের প্রাক্কালে এমন উদ্যোগ সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Manual4 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ