শ্রীমঙ্গলে পরিবারের সম্পদ ও জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন মনোরঞ্জন বিশ্বাসের

প্রকাশিত: ৫:০০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৬, ২০২২

শ্রীমঙ্গলে পরিবারের সম্পদ ও জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন মনোরঞ্জন বিশ্বাসের

Manual3 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার), ২৬ ডিসেম্বর ২০২২ : শ্রীমঙ্গলে সমবায় সমিতির নামে বন্দোবস্তকৃত জলমহালের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বোঝাই দুইটি নৌকা চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা জোরপূর্বক নিয়ে গেলে অার্থিক ক্ষতির শিকার হয়ে পরিবারের সম্পদ ও জানমালের নিরাপত্তাহীনতার অাশঙ্কা ব্যক্ত করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মনোরঞ্জন বিশ্বাস।
তিনি জানান, দুর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জলমহালের নিযুক্ত পাহারাদার ও লোকজনদের ঘেরাও করে মারপিট করে এসব মাছ নিয়ে গেছে।

Manual1 Ad Code

উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের বরুনা গ্রামের বাসিন্দা তিনি।

Manual6 Ad Code

মনোরঞ্জন বিশ্বাস জানান, হাইল হাওরের বয়রা বিলে সরকারী জলমহাল এবং ব্যক্তি মালিকানায় প্রায় ১০৬ একর জমিতে মাছ চাষ করে আসছেন। এর মধ্যে স্থানীয়ভাবে অন্নপূর্ণা মৎসজীবী সমবায় সমিতির নামে ডিসি অফিস থেকে জলমহাল ইজারা রয়েছে প্রায় ৯২ একর। বাকি জমি ব্যক্তি মালিকানা।
সোমবার (২৬ ডিসেম্বর ২০২২) বেলা ২টায় শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মনোরঞ্জন বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, মৌলভীবাজার আটঘর এলাকার চিহ্নিত মামলাবাজ শেখ খোরশেদ আলমের মদদে বরুনা গ্রামের কলা মিয়া, দিলু মিয়া, মামুন মিয়া, নুরুল হক, তবারক মিয়াসহ কতিপয় ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে এসব জলমহাল থেকে সন্ত্রাসী কায়দায় জোর পূর্বক মাছ লুটপাট ও সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতি করে আসছে। প্রতিবাদ করলে তারা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এতে করে গত কয়েক বছরে প্রায় ৭-৮ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।
এনিয়ে গত ৮ ডিসেম্বর শ্রীমঙ্গল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। পরে শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় সেখানে পাহারাদার নিয়োগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় গতকাল ২৫ ডিসেম্বর উল্লেখিত দুর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জলমহালের নিযুক্ত পাহারাদার ও লোকজনদের ঘেরাও করে মারপিট করে। এসময় তারা জলমহাল থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বোঝাই দুইটি নৌকা জোরপূর্বক নিয়ে যায়। এনিয়ে কোথাও কোন প্রতিকার মিলছে না।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি একজন সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত হওয়ায় তার সম্পদ ও পরিবারের নিরাপত্তাহীনতার অাশঙ্কায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার বলেন, গতকাল রাতে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিনি।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলী রাজিব মাহমুদ মিঠুন বলেন, বেআইনীভাবে কেউ মাছ ধরলে আমরা মৎস্য কর্মকর্তার মাধ্যমে সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনে মামলা করা হবে।

 

Manual4 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ