মহান মে’ দিবসের চেতনায় শানিত হয়ে বৈষম্য বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি: ওয়ার্কার্স পার্টি

প্রকাশিত: ১২:২১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৩০, ২০২৩

মহান মে’ দিবসের চেতনায় শানিত হয়ে বৈষম্য বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি: ওয়ার্কার্স পার্টি

Manual5 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি | ঢাকা, ৩০ এপ্রিল ২০২৩ : বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি জননেতা কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি ও সাধারণ সম্পাদক জননেতা কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা এমপি মহান মে’ দিবসের ১৩৭তম বর্ষর্পূর্তিতে দেশের সকল শ্রমিক-কর্মচারী, শ্রমজীবি মেহনতী মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
আজ এক শুভেচ্ছা বার্তায় তাঁরা বলেন শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে শ্রমজীবী মানুষের যে অগ্নিঝরা সংগ্রাম সেদিন রচিত হয়েছিল তার ধারা এখনো বিদ্যমান। বাংলাদেশের শ্রমিক শ্রেণী তার অধিকারের জন্য লড়াই করছে। অবাধ ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার ক্রমাগত আক্রমনের মুখে। ‘অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা’ নামে শ্রমিকের ধর্মঘটের অধিকার কেড়ে নেয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে। নিরাপদ কর্মক্ষেত্রের নিশ্চয়তা নেই। শ্রমিকদের বেঁচে থাকার নিম্নতম জাতীয় মজুরীও নির্ধারিত হয়নি। অন্যদিকে বিশ্ব পুঁজিবাদ তথা সাম্রাজ্যবাদ মুনাফার লোভে ছলে বলে কৌশলে সারা বিশ্বে শ্রমিক শ্রেণীর বিরুদ্ধে আক্রমণ চালাচ্ছে। নিজ শ্রেণীর স্বার্থ রক্ষায় শ্রমিক শ্রেণীকেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে পুঁজিবাদী শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আসুন মহান মে’ দিবসের চেতনায় শানিত হয়ে সেই সংগ্রামের পথে নিয়োজিত হই।

Manual2 Ad Code

Manual3 Ad Code

সৈয়দ আমিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা 

মহান মে’ দিবসের ১৩৭তম বর্ষর্পূর্তিতে দেশের সকল শ্রমিক-কর্মচারী, শ্রমজীবি মেহনতী মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, সাপ্তাহিক নতুন কথা’র বিশেষ প্রতিনিধি, অারপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট কমরেড সৈয়দ অামিরুজ্জামান বলেন, “বিগত তিন বছরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও মহামারী মোকাবিলাজনিত পরিস্থিতিতে নতুন এক অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা সহ উন্নয়ন সমৃদ্ধি অগ্রযাত্রার স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি আর্থসামাজিক টেকসই কর্মসূচি প্রণয়ন ও দ্রুত বাস্তবায়নের রোডম্যাপসহ বৈষম্যহীন ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য আন্দোলন-সংগ্রামের নতুন এক দায় নিয়ে উপস্থিত হচ্ছে এবারের মে দিবস। শ্রমিক শ্রেণি ও সকল স্তরের জনগণসহ রাষ্ট্র সরকার ও প্রশাসনের স্ব স্ব দায়িত্ব পালনে যথাযথ ভূমিকা পালন প্রত্যাশিত।
১ মে হচ্ছে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস। এর বিপ্লবী তাৎপর্য অনুধাবন করে আজকের প্রেক্ষাপটে তা কার্যকরী করা দেশে দেশে শ্রমিকশ্রেণীর অবশ্য কর্তব্য।”

Manual1 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ