নভেরা আহমেদ বেঁচে থাকলে ৮৬ বছরে পদার্পণ করতেন

প্রকাশিত: ৪:৪৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৯, ২০২৪

নভেরা আহমেদ বেঁচে থাকলে ৮৬ বছরে পদার্পণ করতেন

Manual4 Ad Code

গেরিলা ৭১ | ঢাকা, ২৯ মার্চ ২০২৪ : নভেরা, নভেরা আহমেদ নাম তাঁর …

Manual5 Ad Code

বেঁচে থাকলে আজ ৮৬ বছরে পদার্পণ করতেন তিনি।
স্বাধীনতা-পূর্ব বাংলাদেশের সামাজিক অবকাঠামোয় তিনি ছিলেন সময়ের চেয়ে অগ্রগামী। আত্মবিশ্বাস আর আত্মসম্মানবোধ অটুট রেখে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত প্রবলভাবে বেঁচে থাকা সহজ নয়, তিনি তা পেরেছিলেন। বাংলাদেশের প্রথম আধুনিক ভাস্কর নভেরা আহমেদ।

Manual4 Ad Code

১৯৩৯ সালের ২৯ মার্চ ব্রিটিশ ভারতে তাঁর জন্ম। পঞ্চাশের দশকে যে ক’জন মানুষ এগিয়ে এসেছিলেন পূর্ব বাংলার শিল্প ও সংস্কৃতির বিনির্মাণে, উজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছিলেন বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষকালে, তাঁদেরই একজন পথিকৃৎ আধুনিক ভাস্কর নভেরা আহমেদ।

নভেরা আহমেদ – তাঁর জীবদ্দশায় আমরা তাঁকে সম্পূর্ণভাবে জানতে পারিনি। দীর্ঘদিন নিজেকে একরকম আড়ালেই রেখেছিলেন এই শিল্পী। বাংলাদেশের ভাস্কর্যশিল্পের অগ্রদূত, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অন্যতম এই রূপকার ঢাকায় তাঁর প্রথম প্রদর্শনীর (১৯৬০) বছর তিনেক পরে বেছে নিয়েছিলেন স্থায়ী প্রবাস জীবন।

কিন্তু বাংলাদেশে সংরক্ষিত তাঁর ভাস্কর্যগুলো চিরকাল বলে যাবে, সময়ের চেয়ে অগ্রগামী মানুষ নভেরা। তাঁর দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রদর্শনীয় হয় যথাক্রমে ব্যাংককে (১৯৭০) ও প্যারিসে (১৯৭৩)। জীবনের শেষ প্রান্তে (২০১৪) প্যারিসে তাঁর একটি রেট্রোস্পেকটিভও আয়োজিত হয়।

১৯৯৭ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ভাস্কর্যে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে নভেরা আহমেদকে একুশে পদকে ভূষিত করেন। তবে সেই সম্মাননা গ্রহণের জন্য শিল্পী দেশে আসেননি।

Manual3 Ad Code

নভেরা আহমেদ – আত্মবিশ্বাসী, প্রখর ব্যক্তিত্বের অধিকারী এবং আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন একজন মহীয়ান মানুষ।

জন্মদিনে, প্রতিকূল সময়ে অচলায়তন ভেঙে এগিয়ে যাওয়া শিল্পী’র প্রতি আনত শ্রদ্ধা ও হৃদয় নিঙড়ানো ভালোবাসা জ্ঞাপন করছি।

? আমৃত্যু তিনি বাংলাদেশী পাসপোর্ট বহন করেছেন, অর্থাৎ অন্য কোন রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব তিনি গ্রহণ করেননি।

? তাঁর প্রিয় পোশাক হিসেবে শাড়িই দেখতে পাই আমরা।

? ছবি কৃতজ্ঞতা:
গ্রেগােয়ার দ্য ব্রুনস
চিত্রসিঁথি শাহাবুদ্দিন
ভিভিয়ান ভাঘ
মাজহারুল ইসলাম
কারিশমা চৌধুরী

?? নতজানু কৃতজ্ঞতা শিল্পী আনা ইসলাম।
হাসনাত আবদুল হাই রচিত আবর্জনা ‘নভেরা’র বিপরীতে, অচলায়তন ভাঙা মহান শিল্পী নভেরা আহমেদকে জনসমুখে স্পষ্ট করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন করার জন্য শিল্পী ‘আনা ইসলামের’ প্রতি আমাদের নতজানু কৃতজ্ঞতা। তাঁর রচিত, ‘নভেরা বিভূঁইয়ে স্বভূমে’ গ্রন্থটি বাংলাদেশের প্রথম আধুনিক ভাস্কর শিল্পী নভেরা আহমেদকে তুলে আনতে সক্ষম হয়েছে ‘মিথ এবং মিথ্যাচার’ থেকে।

Manual2 Ad Code