আম নিয়ে সিন্ডিকেট হতে দেয়া হবে না: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৭:০৮ অপরাহ্ণ, মে ১৭, ২০২৪

আম নিয়ে সিন্ডিকেট হতে দেয়া হবে না: কৃষিমন্ত্রী

Manual3 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি | গোদাগাড়ী (রাজশাহী), ১৭ মে ২০২৪ : “তাপপ্রবাহের কারণে চলতি মৌসুমে আমের ফলন কম হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলন কম হতে পারে এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আম নিয়ে সিন্ডিকেট হতে পারে। এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কৃষক যেন সঠিক মূল্য পান ও ভোক্তাও যাতে সঠিক দামে কিনতে পারেন, সেজন্য আম নিয়ে সিন্ডিকেট আমরা হতে দেব না।”

Manual7 Ad Code

আজ শুক্রবার (১৭ মে ২০২৪) রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কুমরপুর গ্রামে আমবাগান পরিদর্শন ও কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা বেশি পরিমাণ আম রপ্তানির চেষ্টা করছি। রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের অধীনে চলতি বছর রাজশাহী জেলায় আম রপ্তানির জন্য ২৫০ থেকে ৩০০ কৃষককে সহায়তা প্রদান করা করা হয়েছে। রপ্তানির জন্য রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম গ্রেডিং শেড করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, জাপানে আম রপ্তানির জন্য ঢাকায় ভ্যাপার হিট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট করা হচ্ছে এবং রাজশাহী ও চাপাঁই নবাবগঞ্জে দুটি প্ল্যান্ট স্থাপন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Manual5 Ad Code

মন্ত্রী বলেন, চীন, রাশিয়া ও বেলারুশ রাজশাহীর আম নিতে আগ্রহী। দ্রুতই চীনের একটি প্রতিনিধি দল রাজশাহীর আম দেখতে আসবে। তাই এ দলটির সঙ্গে ঠিকমতো কথা বলে আমের সঠিক মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। এক্ষেত্রে কিছু কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আম, সবজি প্রভৃতি সংরক্ষণের জন্য দেশের ৮টি বিভাগে ৮টি বহুমুখী হিমাগার নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

এসময় বিশ্বব্যাংকের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মাইকেল জে. ওয়েবস্টার, কোকা-কোলা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুউন নাহার চৌধুরী, বাংলাদেশ এগ্রো ফার্মার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট একেএম নাজিব উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

Manual6 Ad Code

এর আগে মন্ত্রী সোনাদীঘি গ্রামে মাটিবিহীন চারা উৎপাদন, ই-ফার্মিং এবং চৈতন্যপুর গ্রামে পানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তিতে চাষ করা ধানের খেত পরিদর্শন করেন।

বিকেলে তিনি রাজশাহী সার্কিট হাউজের কনফারেন্স রুমে বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশ আয়োজিত জলবায়ু স্মার্ট কৃষি শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে যোগ দেন।

অনুষ্ঠানে বরেন্দ্র অঞ্চলে সেচ দক্ষতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিশ্ব ব্যাংকের প্রকল্পের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়।

এ সময় জানানো হয়, ধান চাষে পর্যায়ক্রমে ভেজানো ও শুকানো (এডব্লিউডি) পদ্ধতিতে সেচ দিলে ২৫ শতাংশ পানির সাশ্রয় হয়। উৎপাদন বাড়ে ৭ শতাংশ এবং এর ফলে হেক্টর প্রতি ২ হাজার ২০০ টাকা সেচ খরচ কমে। একইসঙ্গে, এ পদ্ধতিতে ধান চাষে মিথেন গ্যাস নির্গমন ৩৬ থেকে ৪৬ শতাংশ হ্রাস পায়।

 

Manual1 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ