সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংহতি দিবসে WFDY’র বার্তা

প্রকাশিত: ১১:০০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১, ২০২৬

সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংহতি দিবসে WFDY’র বার্তা

Manual2 Ad Code
১৯৭৩ সালের ভিয়েতনাম সংহতি আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ০১ জানুয়ারি ২০২৬ : সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংহতি দিবস উপলক্ষে বিশ্ব গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন (WFDY) বাংলাদেশের জনগণ ও প্রগতিশীল আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি ভিয়েতনাম সংহতি মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহীদ ছাত্র ইউনিয়ন নেতা মতিউল ইসলাম ও মির্জা কাদেরুল ইসলামের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে সংগঠনটি।

Manual2 Ad Code

WFDY’র সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংহতি বার্তায় বলা হয়, বাংলাদেশের বিপ্লবী ইতিহাসে ১ জানুয়ারি একটি গৌরবময় ও আত্মত্যাগের দিন। ওইদিন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নসহ বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠন ‘ভিয়েতনাম সংহতি দিবস’ উপলক্ষে মিছিল আয়োজন করে। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ভিয়েতনাম আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং ভিয়েতনামের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশই ছিল এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

বার্তায় উল্লেখ করা হয়, মিছিল শেষ হওয়ার আগেই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্মম হামলা চালায় পুলিশ। পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ছাত্র ইউনিয়নের দুই নেতা মতিউল ইসলাম ও মির্জা কাদেরুল ইসলাম। এতে আরও বহু আন্দোলনকারী গুরুতর আহত হন।
এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে কমিউনিস্ট পার্টি অব বাংলাদেশ (সিপিবি), বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ও অন্যান্য প্রগতিশীল শক্তি দেশব্যাপী হরতালসহ তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। শহীদদের স্মরণে ছাত্র ইউনিয়নের উদ্যোগে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ বারবার ধ্বংস করা হলেও প্রতিবারই তা পুনর্নির্মাণ করা হয়। অব্যাহত সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও গণআন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত শাসকগোষ্ঠী জনগণের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয় এবং ভিয়েতনামের বিপ্লবী সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়।

Manual1 Ad Code

WFDY তাদের বার্তায় জানায়, ওই আন্দোলন বাংলাদেশের জনগণের অদম্য সংগ্রামী চেতনা, দৃঢ় নেতৃত্ব এবং সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সংহতির গুরুত্বকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই ইতিহাস আজও প্রেরণার উৎস।

Manual4 Ad Code

বার্তার শেষাংশে বিশ্ব গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করে সাম্রাজ্যবাদ ও পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
সংহতি বার্তায় বলা হয়, “সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম দীর্ঘজীবী হোক।
আন্তর্জাতিক সংহতি দীর্ঘজীবী হোক।”

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ