ইসি তড়িঘড়ি গেজেট প্রকাশ করে হাত মুছে নিয়েছে: বদিউল আলম মজুমদার

প্রকাশিত: ১:০১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

ইসি তড়িঘড়ি গেজেট প্রকাশ করে হাত মুছে নিয়েছে: বদিউল আলম মজুমদার

Manual2 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন তদন্ত করেনি। তারা তড়িঘড়ি করে গভীর রাতে গেজেট প্রকাশ করে দিয়েছে। গেজেট প্রকাশ করে তারা হাত মুছে নিয়েছে। তাদের আর কোনো কিছু করার নেই।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বদিউল আলম মজুমদার এসব কথা বলেন।

Manual6 Ad Code

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের তথ্য উপস্থাপন করতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সুজন।

বদিউল আলম মজুমদার মনে করেন, যাঁরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অযোগ্য, তাঁরা যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন, তাহলে নির্বাচনী ফলাফলের সমীকরণ বদলে যায়। তখন নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তিনি বলেন, যখন এ রকম প্রশ্ন ওঠে, তখন নির্বাচন কমিশন তদন্ত করতে পারে। তদন্ত করে ফলাফল বাতিলও করতে পারে। আবার নতুন নির্বাচনের নির্দেশ দিতে পারে তারা। এই নির্বাচনেও এই প্রশ্নগুলো উঠেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তদন্ত করেনি। তারা তড়িঘড়ি করে গভীর রাতে গেজেট প্রকাশ করে দিয়েছে।

Manual4 Ad Code

সুজন সম্পাদক বলেন, নির্বাচনের আগে অনেকের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ ছিল। তাঁরা আদালত থেকে ‘স্টে অর্ডার’ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। এ ছাড়া দ্বৈত নাগরিকের বিষয় নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠেছে। এ রকমও অভিযোগ উঠেছে যে অনেকে দ্বৈত নাগরিক এবং তাঁরা প্রয়োজনীয় নথি না দিয়ে নির্বাচন করার সুযোগ পেয়েছেন। এসব বিষয়ে তদন্ত করে সিদ্ধান্ত নিয়ে তারপর গেজেট প্রকাশ করতে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করা হয়েছিল। নির্বাচনের পরে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সুষ্ঠু হয়েছে কি না, সেটি ‘সার্টিফাই’ করারও সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু তারা এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটা পালন করেনি।

তবে এখনো সুযোগ আছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, আরপিওর ৯১ ধারায় বলা হয়েছে, যদি হলফনামা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠে, কোনো অভিযোগ ওঠে, তাহলে গেজেট প্রকাশের পরেও এটা তদন্ত করে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। তারা নির্বাচনও বাতিল দিতে পারবে।

Manual2 Ad Code

সুজনের তথ্যে বলা হয়েছে, নির্বাচনে বিজয়ী ২৯৭ জনের মধ্যে ১৪৭ জন ঋণগ্রহীতা। শতাংশের হিসাবে যা প্রায় ৫০ শতাংশ। তাঁদের মধ্যে পাঁচ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছেন ৩৬ জন। আর ১২৬ জনই বিএনপি থেকে নির্বাচিত।

সুজনের তথ্যে আরও বলা হয়েছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এই নির্বাচনে ঋণগ্রহীতার হার বেড়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই হার ছিল ৪৫ শতাংশ।

Manual3 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ