ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করার ঘোষণা

প্রকাশিত: ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করার ঘোষণা

Manual3 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদ্য বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহসিন রশীদ।

Manual2 Ad Code

তিনি বলেছেন, ইউনূসের কর্মকাণ্ড শুধু সংবিধান লঙ্ঘনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং তা রাষ্ট্রদ্রোহের পর্যায়ে পড়ে। বর্তমান সরকার পদক্ষেপ না নিলে আমি নিজেই আইনগত ব্যবস্থা নেব।

Manual4 Ad Code

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার ইউটিউব চ্যানেল ‘মানচিত্র’—এ অংশ নিয়ে মোহসিন রশীদ এসব কথা বলেন।

মোহসিন রশীদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হওয়ার পর রাষ্ট্রপতিই একমাত্র সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি ছিলেন। সেই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে যথাযথ যোগাযোগ না রাখা, নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাকে অবহিত না করা এবং সাংবিধানিক শিষ্টাচার উপেক্ষা করা গুরুতর লঙ্ঘন। এটি শুধু সংবিধান লঙ্ঘন নয়, ইটস ট্রিজন।’

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতিকে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে দেওয়া হয়নি।

তাকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মানসিক চাপে রাখা হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো নথিতে সই করানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতি সহযোগিতা না করলে রাষ্ট্রে অচলাবস্থা সৃষ্টি হতে পারত। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রতীক, তাকে যথাযথ সম্মান না দেখানো রাষ্ট্রের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার শামিল।
মোহসিন রশীদ বলেন, একজন সাবেক উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতিকে ‘চোর’ বলেছিলেন—যার হাতে শপথ নিয়েছেন তাকেই চোর আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

Manual5 Ad Code

তিনি দাবি করেন, প্রেস উইং অপসারণ, বঙ্গভবন ঘেরাও এবং রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের চেষ্টা এসব ছিল রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচারবিরোধী কর্মকাণ্ড। এসব ঘটনার সঙ্গে ড. ইউনূসের সম্পৃক্ততা বা নীরব সমর্থন ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি বা কমিশন গঠন করা উচিত।

ইউনূসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধেও তদন্ত দাবি করেন মোহসিন রশীদ। তিনি বলেন, রাষ্ট্র কোনো খেলার বিষয় নয়; রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে কি না তা নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করা দরকার।

Manual1 Ad Code

সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করার প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি আদালতে গিয়েছেন এবং রায়ের সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করেছেন।

রায় হাতে পেলে তিনি রিভিউ করবেন। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো অবৈধ বা অসাংবিধানিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার না আসে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
মোহসিন রশীদ বলেন, সরকার যদি কোনো ইনকোয়ারি কমিটি গঠন না করে, তবে তিনি নিজেই নোটিশ দিয়ে মামলার উদ্যোগ নেবেন এবং ইউনূসকে পক্ষভুক্ত করবেন। আগেও করেছি, আবারও করব।