পোশাক শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, বেতন-বোনাস দাবি

প্রকাশিত: ৫:০৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ১১, ২০২৬

পোশাক শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, বেতন-বোনাস দাবি

Manual3 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ভালুকা (ময়মনসিংহ), ১১ মার্চ ২০২৬ : বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে ময়মনসিংহের ভালুকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।

Manual8 Ad Code

বুধবার (১১ মার্চ ২০২৬) সকালে পৌরসভার বাঘরা এলাকায় অবস্থিত শেফার্ড গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান জিন্স লিমিটেডের শ্রমিকরা এ কর্মসূচি পালন করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার (১১ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার বাঘরা এলাকায় কারখানার শ্রমিকরা পাশের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে মহাসড়কের ওই স্থানের দুই পাশে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়।

এতে ভোগান্তিতে পড়েন দূরপাল্লার যাত্রীরা।
সূত্র জানায়, শেফার্ড গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান জিন্স লিমিটেডে ছয় শ’র বেশি শ্রমিক কর্মরত। কারখানাটির শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস এখনো দেওয়া হয়নি। তাই বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে মহসড়কে নেমে আসেন তারা।

খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা ও শিল্প পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। কিন্তু শ্রমিকরা তাদের দাবি আদায়ে অনড় থাকে। তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
একপর্যায়ে পরবর্তীতে দ্রুত সময়ের মাঝে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস পেয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা পর শ্রমিকরা মহাসড়ক ছেড়ে যান।

Manual1 Ad Code

আন্দোলনকারী শ্রমিকরা জানান, গতকাল মঙ্গলবার তাদের বেতন দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয়নি। কবে দেওয়া হবে, তাও বলা হয়নি। তারা জানান কারখানার ব্যবস্থাপক বলেছিলেন, বকেয়া বেতন, ঈদ বোনাস ও অন্যান্য পাওনা টাকা বুধবার (১১ মার্চ) দেওয়া হবে। কিন্তু আজ (বুধবার) ব্যবস্থাপক কারখানায় নেই।

এসব কারণে তারা মহাসড়ক অবরোধ করেন। এর আগেও আন্দোলন করে তাদের বকেয়া বেতন নিতে হয়েছে বলে জানান শ্রমিকরা।

Manual2 Ad Code

শিল্প পুলিশের এসপি মো. ফরহাদ হোসেন খান বলেন, শেফার্ড গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান জিন্স লিমিটেডের শ্রমিকরা তাদের দাবি নিয়ে মহাসড়কে নেমেছিলেন। পরে দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে তারা মহাসড়ক ছেড়ে যান। তবে শ্রমিকদের ওপর কোনো বলপ্রয়োগ করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

Manual3 Ad Code

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করতে না পারায় জিন্স লিমিটেড কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।