কালজয়ী কবি পাবলো নেরুদা : সংগ্রামী মানুষের অনুপ্রেরণা যুগে যুগে

প্রকাশিত: ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

কালজয়ী কবি পাবলো নেরুদা : সংগ্রামী মানুষের অনুপ্রেরণা যুগে যুগে

Manual7 Ad Code

সৈয়দ আমিরুজ্জামান |

মানবসভ্যতার ইতিহাসে এমন কিছু কবি রয়েছেন, যাঁদের রচনা কেবল সাহিত্যিক রুচি পূরণের জন্য নয়, বরং যুগে যুগে নিপীড়িত মানুষের সংগ্রামের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। চিলির কবি ও বিপ্লবী রাজনীতিক পাবলো নেরুদা তাঁদেরই একজন। দুনিয়া কাঁপানো কিংবদন্তি বিপ্লবী চে গুয়েভারা জীবনের শুরুতে তাঁর প্রথম প্রেমিকাকে নেরুদার কবিতা শোনাতেন এবং সারা জীবন এই কবির লেখা সঙ্গে নিয়ে ঘুরেছেন। সিয়েরা মায়েস্ত্রার গেরিলা যুদ্ধের সময় বিকেলবেলায় তিনি সহযোদ্ধাদের কবিতা পড়ে শোনাতেন ক্যান্ত জেনেরাল থেকে। এমনকি মৃত্যুর মুহূর্তে বলিভিয়ায় তাঁর ব্যাকপ্যাকে পাওয়া যাওয়া সবুজ রঙের নোটবুকে নেরুদার কবিতা ছিল সর্বাধিক।

পাবলো নেরুদা কেবল একজন নোবেল বিজয়ী কবি নন, তিনি ছিলেন সংগ্রামী চেতনার কণ্ঠস্বর। নিপীড়িত মানুষের দুঃখ, ক্ষোভ ও স্বপ্নকে তিনি কবিতার পরিশ্রমী শব্দচয়নে রূপ দিয়েছেন। ফলে তাঁর কাব্যকীর্তি বিশ্বসাহিত্যে এক অমর উচ্চতায় অবস্থান করছে।

Manual2 Ad Code

জন্ম, নাম ও শৈশবের অভিজ্ঞতা

১৯০৪ সালের ১২ জুলাই চিলির পাররাঙ্গল নামের প্রত্যন্ত গ্রামে নেরুদার জন্ম। তাঁর প্রকৃত নাম ছিল নেফতালি রিকার্দো রেয়েস বাসোয়ালতো। মা রোসা বাসোআলতো সন্তান জন্মের এক মাস পরেই মারা যান। রেলকর্মী পিতা হোসে দেল কার্মেন রেইয়েস তাঁকে নিয়ে তেমুকো গ্রামে চলে আসেন। দরিদ্র পরিবারের এই শিশু কাদামাখা রাস্তায় ঠেলাগাড়িওয়ালাদের কষ্ট দেখে বড় হতে থাকেন। শৈশবের সেই করুণ অভিজ্ঞতা পরবর্তীতে কবিতায় রূপ নেয়—
“আমি বাস করছি তেমুকো,
আর আমার ঘরের বাতায়ন পথে
দুচোখ মেলে দেখি আমি কাদা আর কাদা…”

কৈশোরেই তিনি ছদ্মনাম ‘পাবলো নেরুদা’ গ্রহণ করেন। পিতার কঠোর মানসিকতা থেকে লেখালেখি লুকিয়ে রাখাই ছিল এর প্রধান কারণ। ‘নেরুদা’ নামটি নিয়েছিলেন চেক সাহিত্যিক জান নেরুদার কাছ থেকে, আর ‘পাবলো’ সম্ভবত ফরাসি কবি পল ভারলেইন থেকে।

সাহিত্যকর্ম : প্রেম থেকে বিপ্লব

নেরুদার সাহিত্যকীর্তি বহুমাত্রিক। তাঁর প্রথম দিককার কাব্যগ্রন্থ টোয়েন্টি পোয়েমস অফ লাভ অ্যান্ড আ সং অফ ডেসপেয়ার প্রেম ও কামনার আবেগে ভরপুর। এই সংকলন তাঁকে তরুণ বয়সেই জনপ্রিয়তা এনে দেয়।

তবে সময়ের সাথে সাথে তাঁর কলম হয়ে ওঠে ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের অস্ত্র। স্পেনের গৃহযুদ্ধ তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। ফ্যাসিস্ট ফ্রাংকোর বিরুদ্ধে স্পেনের সংগ্রামে অংশ নিয়ে তিনি রচনা করেন প্রাণের স্পেন (১৯৩৮)। এই কাব্যগ্রন্থ কেবল সাহিত্য নয়, একেবারে রাজনৈতিক ঘোষণা হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তীতে তাঁর মহাকাব্য ক্যান্ত জেনেরাল লাতিন আমেরিকার বিপ্লবী কণ্ঠস্বর হিসেবে বিশ্বব্যাপী আলোচিত হয়।

তেরো শতাধিক কবিতা রচনা করেছেন নেরুদা, যার মধ্যে প্রেম, প্রকৃতি, ইতিহাস, নিপীড়িত মানুষের সংগ্রাম—সবই সমানভাবে স্থান পেয়েছে। তাঁর কবিতা প্রেমের কোমল স্পর্শে যেমন ভরপুর, তেমনি সেখানে আছে শোষিত শ্রমিকের রক্তাক্ত আর্তনাদ।

কূটনৈতিক জীবন ও রাজনৈতিক সংগ্রাম

মাত্র তেইশ বছর বয়সে তাঁকে রেঙ্গুনে কূটনৈতিক পদে নিয়োগ করা হয়। পরে ভারত, জাপান, চীন, মেক্সিকোসহ নানা দেশে দায়িত্ব পালন করেন। এই ভ্রমণ তাঁকে বিশ্বসাহিত্যের নানা ধারার সঙ্গে পরিচিত করে।

Manual2 Ad Code

১৯৪৫ সালে তিনি চিলির কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন এবং সিনেটর নির্বাচিত হন। খনি শ্রমিকদের আন্দোলন গড়ে তোলায় তিনি শ্রমিকনেতা হিসেবেও পরিচিত হন। তবে রাষ্ট্রপতি গঞ্জালেস ভিদেলার কমিউনিজমবিরোধী অভিযানে তাঁকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হলে তিনি আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যান। মাইহু হ্রদের গিরিপথ পেরিয়ে আর্জেন্টিনায় পালিয়ে যান এবং সেখান থেকেই তাঁর বিখ্যাত কবিতা পলাতক রচিত হয়।

পরবর্তীতে সালভাদর আলেন্দের ঘনিষ্ঠ সহকারী হয়ে ওঠেন তিনি। আলেন্দে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে নেরুদার রাজনৈতিক মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পায়।

নোবেল পুরস্কার ও বিশ্বজনীন স্বীকৃতি

১৯৭১ সালে নেরুদা সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে বিতর্ক থাকলেও বিশ্বসাহিত্য তাঁকে উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস তাঁকে বর্ণনা করেছিলেন—“বিংশ শতাব্দীর সকল ভাষার শ্রেষ্ঠ কবি।”

নোবেল বক্তৃতায় নেরুদা বলেন—
“আমরা আমাদের শোণিত ও তমসা দিয়েই তার বুক ভরে তুলি; কবিতা তো লিখতে হয় শোণিত ও তমসা দিয়েই।”

এই উক্তি তাঁর সাহিত্য ও রাজনৈতিক জীবনের মূল দর্শনকেই প্রকাশ করে।

প্রেমের কবিতার রসায়ন

কেরুদাকে অনেকেই কেবল বিপ্লবী কবি বলে জানেন। কিন্তু তিনি একইসঙ্গে অসাধারণ প্রেমের কবিও। নারীর শরীর, প্রেম, অভিলাষ ও বেদনা—সবকিছুকে তিনি নতুন ব্যঞ্জনায় কবিতায় তুলে ধরেছেন।

Manual1 Ad Code

তাঁর একটি বিখ্যাত কবিতায় তিনি নারীকে পৃথিবীর উর্বর মাটির সঙ্গে তুলনা করেছেন—
“নারীর রমণীয় শরীর, সাদা পাহাড়, শুভ্র উরু…
আমার এ চাষাড়ে দেহ তোমাকে গভীরভাবে কর্ষণ করছে
যাতে মাটির গহন থেকে লাফিয়ে উঠতে পারে শিশু।”

এখানে প্রেম, প্রকৃতি ও জীবনের চিরন্তনতা একাকার হয়ে গেছে।

প্রশ্নপুস্তক : দার্শনিক কাব্যের মহার্ঘ দলিল

নেরুদার পড়ন্ত বয়সের রচনা প্রশ্নপুস্তক কাব্যগ্রন্থটি অনন্য। এই গ্রন্থজুড়ে আছে কেবল প্রশ্ন—জীবন, মৃত্যু, প্রকৃতি ও অস্তিত্ব নিয়ে।

তিনি জিজ্ঞাসা করেছেন—
“আমায় বলো, গোলাপ কি নগ্ন?
নাকি ওইটাই তার একমাত্র পোষাক?”

এই প্রশ্ন সৌন্দর্যের দর্শনকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করে। আবার আরেক জায়গায় লিখেছেন—
“যেখানে স্থানের শেষ
সেটাই কি মৃত্যু নাকি অনন্ত?”

এখানে ফুটে উঠেছে মৃত্যুর পরবর্তী অজানাকে ঘিরে তাঁর গভীর চিন্তা।

মৃত্যু ও উত্তরাধিকার

১৯৭৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর সামরিক অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ক্যান্সারে আক্রান্ত অবস্থায় নেরুদা মারা যান। একনায়ক অগাস্তো পিনোচেট তাঁর অন্ত্যেষ্টিকে জনসমক্ষে করার অনুমতি দেননি। তবুও হাজারো মানুষ কারফিউ ভেঙে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাস্তায় নেমে আসে। এই অন্ত্যেষ্টিই চিলির একনায়কতন্ত্রবিরোধী প্রথম গণআন্দোলনে রূপ নেয়।

বিশ্বজনীন প্রাসঙ্গিকতা

নেরুদা প্রেমের কবি, বিপ্লবের কবি, মানবতার কবি—সব পরিচয়েই তিনি সমানভাবে অনন্য। তাঁর কবিতা নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে আজও প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।

বাংলাদেশের মতো দেশ, যেখানে বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের স্বপ্ন এখনও অসম্পূর্ণ, সেখানে নেরুদা পাঠ অপরিহার্য। তাঁর প্রশ্নপুস্তক আমাদের শেখায় প্রশ্ন করতে, আর তাঁর বিপ্লবী কবিতা শেখায় প্রতিরোধ গড়তে।

“নেরুদার প্রতি”

রেললাইনের ধোঁয়া পেরিয়ে জন্ম নিল যে কবি,
কাদামাটির পথের পাশে শুনল মানুষের রব;
বুকের ভেতর জমল তারই পৃথিবীজোড়া ব্যথা,
শব্দ হলো অস্ত্র তার, কবিতা হলো কথা।

নাম ছিল তার রিকার্দো, নেরুদা হলো পরে,
গোপন খাতার স্বপ্নগুলো আগুন হয়ে ঝরে।
পিতার চোখের আড়াল থেকে শব্দ পেল ডানা,
ছোট্ট ছেলের কবিতাতে জেগে উঠল জানা।

দক্ষিণ দেশের বৃষ্টিভেজা অরণ্য, নদী, মাটি,
তারই মাঝে মানুষ খুঁজে পেয়েছিল সে সাথী।
শুধু প্রেমের গোলাপ নয়, শুধু চাঁদের আলো—
ক্ষুধার্ত মুখ, শ্রমিকের ঘাম, তারও ছিল ভালো।

যখন স্পেন রক্তে ভাসে, জ্বলে ওঠে ঘর,
ফ্যাসিবাদের বুটের নিচে কাঁপে জনতার পর;
লরকার চোখ নিভে যায় আর বন্দুক গর্জে ওঠে,
নেরুদার কলম তখন মানুষের পাশে ছোটে।

মৃত্যু যদি আসে তবে আসুক—শব্দ থামবে না,
রক্ত দিয়ে লেখা কবির স্বপ্ন মুছে যাবে না।
যে কবিতা মানুষের, তার মৃত্যু কই হয়?
অন্ধকারের বুক চিরে সে নতুন সূর্য রয়।

চে-র ব্যাগে ছিল যে কবির কবিতারই পাতা,
গেরিলা-শিবিরে সন্ধ্যা হলে উঠত সেই গাঁথা।
বন্দুক হাতে যোদ্ধারাও শুনত প্রেমের বাণী,
যুদ্ধের মাঝেও মানুষ থাকে—সেই তো কবির জ্ঞানী।

প্রেমের কবি, শ্রমের কবি, নিপীড়িতের গান,
সমুদ্রজোড়া মানুষেরই দুঃখ তাঁর প্রাণ।
নারীর দেহে দেখেছেন তিনি উর্বর ধরিত্রী,
জীবনেরই বীজ বুনেছে প্রেমের অন্তরাত্মা-স্মৃতি।

আর যখন তিনি লিখলেন শুধু প্রশ্নের মালা,
গোলাপ কেন নগ্ন থাকে—কী তার রঙের জ্বালা?
বৃষ্টিভেজা বিষণ্ন ট্রেন কোথায় যায় শেষে,
মৃত্যুর পরে অনন্ত কি অপেক্ষায় থাকে দেশ?

অরণ্যের হলুদ রং কি আগের মতো থাকে?
পাখির কালো ঝাঁক কি ফেরে পুরনো কোনো ডাকে?
স্থানের শেষে মৃত্যু নাকি অনন্তের দ্বার—
প্রশ্ন রেখে কবি যেন পেরিয়ে গেলেন পার।

সাদা কাগজ রক্ত চায়—বলেছিলেন যে কবি,
শব্দ যদি সত্য হয়, সে শব্দ থাকে মুক্তি।
তমসা ভেঙে মানুষেরই মুক্তির স্বপ্ন বোনে,
কবিতা তাই বেঁচে থাকে মানুষেরই মনে।

আলেন্দের সেই স্বপ্ন যখন রক্তে গেল ডুবে,
পিনোচেটের কালো ছায়া নেমে এলো ভুবনে;
হাসপাতালের শয্যায় তখন মৃত্যুর পদধ্বনি,
তবু কবির নামটি ছিল মানুষেরই ধ্বনি।

কার্ফুর রাতে শোকাহত জনতা পথে নামে,
নীরব চোখে লাল পতাকা কাঁদে কবির নামে।
শাসকেরা দেহ রুখতে পারে, রুখতে পারে না গান—
নেরুদারই কবিতা আজও মানুষের প্রাণ।

যে কবি মাটির গন্ধ নিয়ে বিশ্বজুড়ে গেলেন,
শ্রমিক-কৃষক-প্রেমিকেরই হৃদয় ছুঁয়ে নিলেন;
তার কবিতার প্রতিটি শব্দ জিজ্ঞাসে আজও—
মানুষ কেন বঞ্চিত হবে, কেন থাকবে লাজে?

পৃথিবী যদি বৈষম্যের শৃঙ্খলে হয় বাঁধা,
কবির প্রশ্ন জেগেই থাকে—কার হাতে এই ফাঁদা?
ক্ষুধার পাশে অন্ন চাই, মানুষের পাশে মানুষ,
স্বাধীনতার স্বপ্ন যেন না হয় কেবল ফানুস।

নেরুদা, আজ তোমার কাছে আমাদের এই সালাম,
শ্রমের ঘামে, সংগ্রামে যে জেগে থাকে নাম।
তোমার প্রশ্ন বাতাস বেয়ে আজও আসে কানে—
মানুষ হবে মানুষেরই—এই কি স্বপ্ন জানে?

তোমার প্রেমে পৃথিবী জাগে, তোমার ক্রোধে আগুন,
তোমার শব্দ পথ দেখাক অন্ধ সময়ের ভেতর।
কবির মৃত্যু শেষ নয় তো, শেষ নয় কোনো গান—
নেরুদা, তুমি বেঁচে আছো মানুষেরই প্রাণ।

যতদিন এই পৃথিবীতে বৈষম্য থাকবে জেগে,
যতদিন শ্রমিকের ঘাম ঝরবে মাটির বুকে লেগে,
যতদিন প্রেম স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখবে প্রাণ—
ততদিনই নেরুদা তুমি অমর, অবিনাশী গান।

লাল সালাম, কবি তোমায়—মানবতার কবি,
লাল সালাম সংগ্রামী সেই শব্দ-সৈনিক কমরেড।
প্রশ্নপুস্তক খুলে রেখে চলে গেছ যে দূর—
তোমার প্রশ্ন জেগে থাকুক, জাগুক মানুষের সুর।
—(নেরুদার প্রতি,—সৈয়দ আমিরুজ্জামান)

উপসংহার

পাবলো নেরুদা শুধু সাহিত্যিক নন; তিনি ছিলেন সময়ের সাক্ষী, সংগ্রামী, বিপ্লবী এবং মানবতার সৈনিক। নিপীড়িত মানুষের যন্ত্রণা, প্রেমের আবেগ, প্রকৃতির সৌন্দর্য—সবকিছু তিনি কবিতার দ্যুতিতে অমর করে রেখেছেন।

আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের অঙ্গীকার হোক—সমাজতন্ত্র অভিমুখী অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের। বিশ্বজনীন এই কবির সাহিত্য, জীবন ও সংগ্রাম আমাদের পথ দেখাক।

নোবেল বিজয়ী কবি কমরেড পাবলো নেরুদার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

#
সৈয়দ আমিরুজ্জামান
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট;
বিশেষ প্রতিনিধি, দ্য ফিনান্সিয়াল পোস্ট (ইংরেজি দৈনিক) ও সাপ্তাহিক নতুনকথা;
সম্পাদক, আরপি নিউজ;
কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, জাতীয় কৃষক সমিতি;
‘৯০-এর মহান গণঅভ্যুত্থানের সংগঠক ও সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী।
সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ খেতমজুর ইউনিয়ন।
সাধারণ সম্পাদক, মাগুরছড়ার গ্যাস সম্পদ ও পরিবেশ ধ্বংসের ক্ষতিপূরণ আদায় জাতীয় কমিটি।
প্রাক্তন সভাপতি, বাংলাদেশ আইন ছাত্র ফেডারেশন।
E-mail : syedzaman.62@gmail.com
WhatsApp : 01716599589
মুঠোফোন: ০১৭১৬৫৯৯৫৮৯
Bikash number : +8801716599589 (personal)

Manual6 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ