খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে ওয়ার্কার্স পার্টির শোক প্রকাশ

প্রকাশিত: ৪:৪৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ৪, ২০২১

খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে ওয়ার্কার্স পার্টির শোক প্রকাশ

Manual8 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি | ঢাকা, ০৪ জুলাই ২০২১ : খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি।

Manual8 Ad Code

প্রবীণ সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য, আরপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ আমিরুজ্জামান। তাঁর মৃত্যুতে আরও শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা শাখার সম্পাদক তাপস ঘোষ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সভাপতি দেওয়ান মাসুকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দীন এবং শ্রীমঙ্গল পৌর শাখার সভাপতি শেখ জুয়েল রানা ও সাধারণ সম্পাদক রোহেল আহমদ, বাংলাদেশ যুবমৈত্রীর শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সভাপতি জামাল মুশরাফিয়া ও বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অজিত বোনার্জি।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লাসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যরা।
খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে তালা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দরা হলেন তালা প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা এমএ হাকিম, শাহাদাৎ হোসেন, আব্দুস সালাম, প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু, সাধারণ সম্পাদক সরদার মশিয়ার রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী জাহিদুর রহমান, যুগ্ন-সম্পাদক তপন চক্রবর্তী, সহ-সম্পাদক সব্যসাচী মজুমদার বাপ্পী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সেলিম হায়দার, কোষাধ্যক্ষ এমএ ফয়সাল, দপ্তর সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ রোকনুজ্জামান টিপু, প্রচার সম্পাদক কাজী আরিফুল হক ভুলু, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জিএম গোলাম রসুল, ক্লাবের সদস্য গাজী সুলতান আহমদ, এসএম লিয়াকত হোসেন, প্রভাষক নজরুল ইসলাম, প্রভাষক ইয়াছিন আলী, খলিলুর রহমান লিথু, অর্জুন বিশ্বাস, মোঃ নূর ইসলাম,ফিরোজা রহমান শিমু, আছাদুজ্জামান রাজু, আজমল হোসেন জুয়েল, সেকেন্দার আবু জাফর বাবু, মোঃ খলিলুর রহমান, কাজী লিয়াকত হোসেন, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, কামরুজ্জামান মিঠু, সুমন রায় গনেশ, মোঃ তাজমুল ইসলাম, এস,কে রায়হান, সাংবাদিক রিয়াদ হোসেন, সৈয়দ মারুফ হোসেন, সন্তোষ ঘোষ,মুকুল হোসেন, সৌমেন মজুমদার, সেলিম হোসেন, সেফালুর আলম লিটন, তাপস সরকার,আসাদুল ইসলামশেখ বিল্লাল হোসেন প্রমুখ।

শুক্রবার (২ জুলাই ২০২১) দিবাগত রাত তিনটায় বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে ঢাকার এভারকেয়ার হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ঢাকার বসুন্ধরা আবা‌সি‌ক এলাকার বড় জামে মসজিদে জোহরবাদ জানাজা শে‌ষে মরহুমকে দাফন করা হ‌বে।

Manual6 Ad Code

উল্লেখ্য, শাহাবু‌দ্দিন আহমদ ১৯৩৯ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।
ঢাকার মানিকগঞ্জে তার পৈত্রিক ভিটে। বাবার চাকরির সুবাধে খুলনাসহ বিভিন্ন স্থানে লেখাপড়া করেন।
সর্বশেষ শিক্ষা জীবন দৌলতপুর সরকারি বিএল কলেজ। তিনি ১৯৬২ সালে শরীফ কমিশন রিপোর্ট বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন। পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। শিক্ষা জীবন শেষে তিনি শিক্ষকতা করেন। ১৯৬৫ সালে খুলনার স্থানীয় ওয়েভ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা পেশার সাথে যুক্ত হন। ৪৪ বছরের পেশাগত জীবনে সাপ্তাহিক হলিডে, বাংলাদেশ টাইমস, দি ডেইলি টেলিগ্রাফ, ডেইলি ফিন্যানশিয়াল এক্সপ্রেস ও দি ডেইলি ইনডিপেনডেন্ট পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন। ইনডিপেনডেন্ট পত্রিকায় ১৩ বছর দায়িত্ব পালন শেষে বার্ধক্যজনিত কারণে ২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সাংবাদিকতা থেকে অবসর নেন। ১৯৭০-৭১ সালে করাচীর প্রভাবশালী দৈনিক ডন পত্রিকার খুলনাস্থ প্রতিনিধি ছিলেন।
তিনি ১৯৮০, ১৯৮২ ও ১৯৮৪ সালে অবিভক্ত খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি. ১৯৮৫-৮৬, ১৯৯২-৯৩, ১৯৯৫-৯৬, ১৯৯৯-২০০০ সালে খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হন। স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের আপাদকালীন সাহায্যের জন্য কল্যাণ তহবিল গঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে নিখুঁত সংবাদ পরিবেশনে তিনি খুলনার সাংবাদিক অঙ্গণে আজও উদাহরণ। সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান এবং বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকায় ২০০৮ সালে সাদা মনের মানুষ হিসেবে জেলা প্রশাসন থেকে স্বীকৃতি প্রাপ্ত হন।
চিরকুমার এই সাংবাদিক মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ঢাকার বসুন্ধরায় ভাগ্নে মো. হাবিবুর রশিদ খানের বাসায় বসবাস করছিলেন। খুলনার সাংবাদিকদের কাছে তিনি গুরু বলে খ্যাত ছিলেন।

Manual1 Ad Code

 

Manual4 Ad Code

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ