কয়েক সপ্তাহ ধরে করোনার সকল সূচকই নিম্নমুখী

প্রকাশিত: ৩:৪২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩০, ২০২১

কয়েক সপ্তাহ ধরে করোনার সকল সূচকই নিম্নমুখী

Manual8 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ৩০ আগস্ট ২০২১ : দেশে বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই করোনার শনাক্ত ও মৃত্যুসহ সকল সূচকই নিম্নমুখী। সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে করোনার নমুনা পরীক্ষা, শনাক্ত রোগী এবং মৃত্যুর সংখ্যা আগের সপ্তাহের চেয়ে আরও কমেছে। আগের সপ্তাহের তুলনায় সমাপ্ত সপ্তাহে নমুনা পরীক্ষা ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ, শনাক্ত রোগী ২৬ দশমিক ৮২ শতাংশ, সুস্থতার হার ২৭ দশমিক ১৯ শতাংশ এবং মৃত্যু ৩৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ কমেছে।

Manual4 Ad Code

সোমবার (৩০ অাগস্ট ২০২১) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এপিডেমিওলজিকাল সপ্তাহ রিপোর্ট প্রকাশ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এপিডেমিওলজিকাল রিপোর্ট অনুসরণ করে নতুন আঙ্গিকে এবারের রিপোর্ট প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

ওই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আগের সপ্তাহের তুলনায় সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে (৩৪তম সপ্তাহ) করোনার নমুনা পরীক্ষা কমেছে ২১ হাজার ১২০টি, শনাক্ত রোগী ১১ হাজার ৫৫৭ জন, সুস্থ রোগী ১৯ হাজার ৩৫৩ জন এবং মৃত্যু ৩৭৪ জন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩৪তম সপ্তাহে করোনার নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ২ লাখ ১৯ হাজার ৮৭৬টি, শনাক্ত রোগী ৩১ হাজার ৫৩৯ জন, সুস্থ রোগী ৫১ হাজার ৮২৩ জন এবং মৃত্যু ৭৩৩ জন। ৩৩তম সপ্তাহে করোনার নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৯৬টি, শনাক্ত রোগী ৪৩ হাজার ৯৬ জন, সুস্থ রোগী ৭১ হাজার ১৭৬ জন এবং মৃত্যু ১১০৭ জন।

Manual7 Ad Code

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, করোনায় শনাক্তের হার পূর্বের সপ্তাহের তুলনায় ৩১ সপ্তাহে কমে ১০ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এছাড়া ৩২তম সপ্তাহে ২৭ দশমিক শূণ্য ৩ শতাংশ, ৩৩তম সপ্তাহে ৩৩ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং ৩৪তম সপ্তাহে কমে ২৬ দশমিক ৮২ শতাংশ।

Manual5 Ad Code

অন্যদিকে করোনায় মৃত্যুর হার পূর্বের সপ্তাহের তুলনায় ৩১ সপ্তাহে বাড়লেও এরপর থেকে ক্রমান্বয়ে কমছে। করোনায় মৃত্যু ৩২তম সপ্তাহে ১২ দশমিক ২৭ শতাংশ, ৩৩তম সপ্তাহে ২৭ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং ৩৪তম সপ্তাহে কমে ৩৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

Manual5 Ad Code

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ পরিস্থিতি বলছে, সোমবার নতুন তিন হাজার ৭২৪ জনসহ দেশে মোট করোনায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ৯৭ হাজার ৯৩০ জনে। অন্যদিকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে নতুন ৯৪ জনসহ মৃত্যুর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার ১০৯ জনে। এছাড়া নতুন ৬ হাজার ১৮৬ জনসহ সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ২১ হাজার ৮৮৩ জন।