জীবদ্দশায় কি মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাবেন এমএ রহিম চাচা

প্রকাশিত: ১০:১১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৪, ২০২৩

জীবদ্দশায় কি মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাবেন এমএ রহিম চাচা

Manual6 Ad Code

মো. বদরুজ্জামান সেলিম |

শ্রীমঙ্গলের প্রবীণ রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ২ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন কমিশনার, সাপ্তাহিক শ্রীভূমি পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য এম এ রহিম চাচা শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে মৌলভীবাজারে লাইফ লাইন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দীর্ঘদিন থেকেই তিনি বার্ধক্যজনিত ও শারীরিক নানান সমস্যায় ভুগছেন ??

‘৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এম এ রহিম চাচা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিলেও অদ্যাবধি পাননি স্বীকৃতি!! সেই আক্ষেপ এখনো উনাকে ক্ষত-বিক্ষত করে। ‘৭১-এর রণাঙ্গনের বীর সৈনিক ও স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে শ্রীমঙ্গলে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ক্রমান্বয়ে যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের রাজপথ কাঁপানো এই মানুষটি আজ অনেকটাই শিশুসুলভ আচরণ করছেন। অতীতের কথাগুলো মনে করতে পারছেন না খুব একটা। তবে স্মরণ করিয়ে দিলে বলতে পারেন কিছুটা। বর্তমানে একেবারেই হাঁটাচলা করতে পারেন না। শিশুর মতোই হয়ে গেছেন। রাজপথ কাঁপানো তুখোড় বক্তা জননেতা এম এ রহিম চাচা।

Manual5 Ad Code

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সার্টিফিকেটও আছে উনার। শুধু উনারই নন এমন আরও কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন শ্রীমঙ্গলে। ব্যক্তি রেষারেষি বা কোন্দলসহ অদৃশ্য কোন কারণে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয় উনাদের নাম! এটা সত্যিই দু:খজনক। তবে কি জাতির এই বীর সন্তানেরা দেশের কাছে কিছুই পাবেন না। যারা জীবনবাজী রেখে এই দেশকে শত্রু মুক্ত করেছেন!! দেশের কাছে কিছুই চাওয়ার নেই তাদের। তবে দেশের দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তিদের উচিত উনাদের প্রাপ্য সম্মানটুকু দিয়ে কিছুটা ঋণ পরিশোধ করা। আর্থিক বা অন্যান্য কোন সুবিধা নয়, শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধার সম্মানটুকুই উনাদের চাওয়া ?

Manual8 Ad Code

?★ অথচ শুনতে খারাপ লাগলেও নির্মম সত্য এটাই যে, এদেশে ২০০০ মুক্তিযোদ্ধার বয়স ৫০-এর নীচে!!

Manual8 Ad Code

উনি অনেকটা আবেগতাড়িত হয়ে শ্রীমঙ্গলবাসীর কাছে উনার জন্য দোয়া ও আশীর্বাদ চেয়েছেন তিনি। এরচেয়ে বেশি আর কিছু চাওয়ার নেই উনার। তেমন কথা বলতে পারেননা আগের মতো। কথা বলতে কষ্ট হয়।? দীর্ঘশ্বাস আর নিশ্চুপতার মাঝে কি যেন লুকিয়ে আছে ❗❗❗

উনার পরিবারের পক্ষ থেকেও সকলের কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ চেয়েছেন। সকলের দোয়া ও আশীর্বাদে তিনি যেন আবারও পূর্বের ন্যায় আমাদের মাঝে ফিরে আসতে পারেন এটাই কাম্য ❤️
আমি ১৯৯৩ সাল থেকে যে সকল নেতাদের ডাকে আওয়ামী লীগের কর্মসুচীতে যেতাম, তাদের মধ্যে অন্যতম রহিম চাচা। ১৯৯৫ সালে স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী (২৫ বছর) অনুষ্ঠানের আহবায়ক ছিলেন রহিম চাচা। অনুষ্ঠানের সকল কর্মসুচীতে আমি উনার সাথে ছিলাম।
#
মো. বদরুজ্জামান সেলিম
সাবেক সদস্য, জেলা পরিষদ
মৌলভীবাজার

Manual8 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ