নীতি সংস্কারে জনতার কণ্ঠস্বর প্রতিফলনের আহ্বান

প্রকাশিত: ৯:২৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫

নীতি সংস্কারে জনতার কণ্ঠস্বর প্রতিফলনের আহ্বান

Manual3 Ad Code
‘ওয়ান ল্যান্ড, ম্যানি ভয়েসেস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তরুণ ও নীতিনির্ধারকদের যৌথ প্রতিশ্রুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর : নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় জনসাধারণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর প্রতিফলনের ওপর গুরুত্বারোপ করে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো “One Land Many Voices: Bridging People and Policy” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। তরুণদের নীতি-আলোচনায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ইয়ুথ পলিসি ফোরাম (YPF) এবং অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

Manual1 Ad Code

এই আয়োজনটি মূলত “One Land, Many Voices” উদ্যোগের অংশ, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নীতি সংস্কারের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি করছে।

মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতার উপস্থাপন

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে দেশের পাঁচটি ভিন্ন অঞ্চলে আয়োজিত মতবিনিময় কার্যক্রম থেকে সংগৃহীত তথ্যচিত্র ও গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। তরুণ প্রতিনিধিদের পাশাপাশি সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনের (CSO) প্রতিনিধিরাও এতে অংশ নেন। প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও বিশদ উপস্থাপনার মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মতামত, চ্যালেঞ্জ ও প্রত্যাশা তুলে ধরা হয়।

প্রান্তিক কণ্ঠস্বরের মঞ্চ

“Voices from Grassroots” শীর্ষক অংশে মাঠ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা সরাসরি তাদের অভিজ্ঞতা ও সমস্যার কথা জানান। শিক্ষা, কর্মসংস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে তারা নানা বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন।

Manual5 Ad Code

নীতি প্রণয়নে প্রান্তিক কণ্ঠস্বরের গুরুত্ব

Manual1 Ad Code

‘Voices of Grassroots: The Missing Piece in Policies’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় বক্তারা বলেন, নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় বাস্তব অভিজ্ঞতা ও তথ্যের ঘাটতি রয়ে গেছে। এই ঘাটতি পূরণ করতে হলে মাঠপর্যায়ের কণ্ঠস্বরকে নীতিনির্ধারণী মহলে পৌঁছে দেওয়া জরুরি।

প্যানেল আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের লিড–ইয়াং পিপল, নাজমুল আহসান। আলোচক হিসেবে অংশ নেন সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের গভর্নেন্স, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশবিষয়ক সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার শিরিন সুলতানা লিরা এবং ইয়ুথ পলিসি ফোরামের প্রধান অ্যাডভোকেসি আতিয়া সুলতানা।

Manual1 Ad Code

বক্তারা উল্লেখ করেন, তরুণরা নীতি সংস্কারের ক্ষেত্রে সেতুবন্ধনের ভূমিকা রাখতে পারে। তারা একদিকে মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, অন্যদিকে নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় সেই তথ্যের প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম।

অঙ্গীকারের মাধ্যমে সমাপ্তি

অনুষ্ঠানটি শেষ হয় একটি যৌথ প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে—যেখানে অংশগ্রহণকারীরা জানান, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর শুধু শোনা নয়, বরং তা নীতি সংস্কারের কেন্দ্রে স্থান পেতে হবে। এভাবেই গড়ে উঠতে পারে প্রমাণভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি কাঠামো।

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ