কমলকুঁড়ি পত্রিকার গৌরবের ১৬ বছর: পাক্ষিক থেকে সাপ্তাহিকে রূপান্তর ও আমাদের অঙ্গীকার

প্রকাশিত: ৮:৪২ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৪, ২০২৬

কমলকুঁড়ি পত্রিকার গৌরবের ১৬ বছর: পাক্ষিক থেকে সাপ্তাহিকে রূপান্তর ও আমাদের অঙ্গীকার

Manual3 Ad Code

পিন্টু দেবনাথ |

আজ ‘কমলকুঁড়ি’ পরিবারের জন্য এক ঐতিহাসিক এবং আনন্দের দিন। মৌলভীবাজার জেলার আপামর মানুষের সুখ-দুঃখ, সম্ভাবনা, উন্নয়ন, ইতিহাস আর ঐতিহ্যের অবিকল্প দর্পণ হিসেবে যে পত্রিকার জন্ম হয়েছিল, তা আজ এক নতুন দিগন্তে পদার্পণ করল। দীর্ঘ ১৬ বছরের গৌরবময়, অবিচল ও আপসহীন পথচলা শেষে আপনাদের প্রিয় পাক্ষিক ‘কমলকুঁড়ি’ আজ থেকে ‘সাপ্তাহিক কমলকুঁড়ি’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল।

Manual2 Ad Code

২০০৯ সালের এক বুক স্বপ্ন আর তৃণমূল সাংবাদিকতার অঙ্গীকার নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এরপর ২০১১ সালে এটি পাক্ষিক পত্রিকা হিসেবে সরকারি রেজিস্ট্রেশন লাভ করে। দেখতে দেখতে কেটে গেছে দীর্ঘ ১৬টি বছর। এই দীর্ঘ পথচলা মোটেও মসৃণ ছিল না; বরং নানা চড়াই-উতরাই, বাধা-বিপত্তি এবং ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময় পার করেই আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে হয়েছে। তবে সব প্রতিকূলতা ছাপিয়ে আমরা কখনো আমাদের মূল লক্ষ্য—বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা থেকে বিচ্যুত হইনি। মফস্বলের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা উন্নয়ন, সম্ভাবনা কিংবা অবহেলিত মানুষের কণ্ঠস্বরকে আমরা তুলে এনেছি মূল পাতায়। আর এই নিরলস প্রচেষ্টারই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিস্বরূপ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে ‘কমলকুঁড়ি’ আজ সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশের চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করেছে।

Manual1 Ad Code

একটি পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে আজ আমার বুক এক অদ্ভুত গর্ব ও কৃতজ্ঞতায় ভরে উঠছে। তবে এই সাফল্য একক কোনো ব্যক্তির নয়। ‘কমলকুঁড়ি’র আজকের এই রূপান্তরের পেছনে রয়েছে পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা এবং শুভানুধ্যায়ীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা। বিশেষ করে, পত্রিকাটির প্রকাশনা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে যারা বিভিন্ন সময়ে নানাভাবে উৎসাহ-উদ্দীপনা দিয়েছেন, সংকটে পাশে দাঁড়িয়েছেন, সেই অতি প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আমি আমার অন্তরের অন্তস্তল থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। আপনাদের এই নিঃস্বার্থ সমর্থন ছাড়া আজকের এই অর্জন অসম্ভব ছিল।

Manual4 Ad Code

“পাক্ষিক থেকে সাপ্তাহিকে রূপান্তর কেবল একটি সাময়িকীর প্রকাশের ব্যবধান কমে আসা নয়, বরং এটি আমাদের দায়িত্ব ও জবাবদিহিতাকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিল।”

এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে আমরা আরও দ্রুত, আরও সতেজ এবং আরও নিবিড়ভাবে মৌলভীবাজার জেলার সকল উপজেলার বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ আপনাদের দরবারে পৌঁছে দিতে পারব। আমাদের বিশ্বাস, পূর্বের ন্যায় আগামী দিনেও ‘সাপ্তাহিক কমলকুঁড়ি’ তার সততা, সাহসিকতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে এক সুগম ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে।

নতুন রূপে, নতুন উদ্যমে আমাদের এই পথচলায় বরাবরের মতোই আপনাদের ভালোবাসা, পরম পরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করছি। ‘কমলকুঁড়ি’ ছিল, আছে এবং আগামীতেও থাকবে মেহনতি মানুষ ও সত্যের পক্ষে।
#

Manual2 Ad Code

পিন্টু দেবনাথ
সম্পাদক ও প্রকাশক
সাপ্তাহিক কমলকুঁড়ি
১৪ জুলাই ২০২৬

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ