এদের এমন সম্পর্কগুলো একটি বিপজ্জনক বার্তা ছড়াচ্ছে!

প্রকাশিত: ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৪, ২০২৫

এদের এমন সম্পর্কগুলো একটি বিপজ্জনক বার্তা ছড়াচ্ছে!

Manual3 Ad Code

সাজিয়া তন্বী |

Sugar baby এক আপুর কাদুনি মার্কা ভিডিও দেখে আমি অসুস্থ বোধ করছি যে মানুষ কতটা বেহায়া হলে এসব বলতে পারে!

Manual3 Ad Code

আমার প্রাক্তন এক অফিস কলিগ (female) যখন তার
ডিভোর্সের পরপর কালাচাঁদপুর থেকে বাড়িধারা DOHS এ লক্ষ টাকার ভাড়ার ফ্ল্যাটে উঠল, যার বেতন ছিল মাত্র ২৫,০০০ টাকা, তখন জানতে পারি যে এটা ঢাকায় খুব কমন একটা ব‍্যাপার।

Manual8 Ad Code

গুলশান, বনানী, বারিধারা, DOHS – এইসব এলাকায় অনেক মেয়েই থাকেন যাদের জীবনধারা আর ইনকামের মাঝে বিস্তর ফারাক। চাকরি করলে হয়তো ৩০,০০০ টাকার বেশি আয় হতো না, অথচ বাসা লক্ষ টাকার, চলাফেরা গাড়িতে, সব ব্র্যান্ডেড পণ্যের ব্যবহার—এই লেভেলের lavish lifestyle আসলেই কোথা থেকে আসে?

না, এরা অনেকেই ধনী বাবার মেয়ে না। বরং সমাজে একটা চিনিবাবা ঘরানার লোকজন আছে যারা টাকার জোরে সম্পর্ক তৈরি করে, আর সেই টাকায় চলে এমন অনেক মেয়ের জীবন। এই মেয়েরা এখন যখন মিডিয়ায় এসে কাঁদে—আমি অন্তঃসত্ত্বা, ও আমাকে বিয়ে করছে না—তখন মেয়ে হয়েও আমি একটুও দুঃখ পাই না।

প্রথমত, এই socalled অল্প বয়সী innocent আপুরা এতই innocent যে তারা ভালোবেসে নাকি ধরা খায়,

বিয়ের প্রলোভন দিয়ে নাকি চিনি বাবারা তাদের ব্যবহার করে!
তারা এতটাই innocent যে, সিঙ্গেল ছেলেদের বাদ দিয়ে যায় সেইসব লোকদের সাথে যায়, যাদের সংসার আছে, বউ আছে, বাচ্চা আছে—তারপর বলে, (most importantly taka আছে)।

তারা এতটাই innocent যে, বিয়ে না করেই প্রেগন্যান্ট হয়ে যায়, অথচ কিছুই বোঝে না!

আর তাদের পরিবার?
তাদের তো innocence level ১০০০!
মেয়ে কোথায় থাকে, কীভাবে লাখ টাকার বাসায় থাকে, গাড়িতে চড়ে, হাই ব্র্যান্ডেড প্রোডাক্ট ব্যবহার করে—সবই যেন অজানা!
মাসে ২৫-৩০ হাজার টাকা বেতনে এইসব lifestyle কিভাবে সম্ভব, সেই হিসাবটাও যেন পরিবারের মাথায় আসে না!
সব বুঝেও না বোঝার ভান করে থাকে।

Manual6 Ad Code

আমার কেন এই কাঁদুনি দেখে হাস‍্যকর মনে হয় জানেন?

Manual2 Ad Code

এই মেয়েরা যখন সচেতনভাবে বিবাহিত পুরুষকে টার্গেট করে, তারা নিজেরাও জানে যে এ সম্পর্কের কোন পরিণতি নাই তারপরও love না lov এর কারনে তারা give and take এ থাকে।

এদের এমন সম্পর্কগুলো সমাজে একটি বিপজ্জনক বার্তা ছড়াচ্ছে যে , নৈতিকতা দিয়ে কিছু হয় না, shortcut মারলে lifestyle পাওয়া যায়। এটা একটি পুরো প্রজন্মকে দুর্বল, দায়িত্বহীন ও বিকারগ্রস্ত করে তুলছে।

এরা পেটের ক্ষুধায় এগুলো করে না, এরা করে মনের ক্ষুধায়! status upgrade করতে যেয়ে কোন তলানিতে চলে যায় নিজেরাও জানে না। তাই ইউটিউবার সাংবাদিক ভাইদের বলছি, বাইট পাওয়ার জন‍্য এদের প্রমোট করেবেন না। কে জানে এদের মত লাইফস্টাইল পাওয়ার জন‍্য হয়ত আপনার বাড়ির মেয়েটাই স্বপ্ন দেখবে, পরিনতি যার খুবই ভয়াবহ!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ