রাক্ষুসে ব্ল্যাক হোল (কৃষ্ণগহ্বর)

প্রকাশিত: ৭:৩৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৮, ২০২৫

রাক্ষুসে ব্ল্যাক হোল (কৃষ্ণগহ্বর)

Manual1 Ad Code

সুরাজ দেবনাথ |

প্রতি সেকেন্ডে পৃথিবীর মতো একটি গ্রহকে গ্রাস করতে পারে – সম্প্রতি এমন একটি ব্ল্যাক হোলের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই ব্লাক হোলটি সবকিছুই গ্রাস করে এত দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে যা ইতিপূর্বে আবিষ্কৃত ব্লাকহোলের ক্ষেত্রে দেখা যায়নি।

Manual1 Ad Code

অস্ট্রেলিয়ার জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এমন এক গবেষণা সম্প্রতি অনলাইন জার্নাল আরজিভে প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন – প্রায় ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে এই ধরনের কোন বস্তুর সন্ধান করা হচ্ছিল। এটি আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ব্ল্যাকহোল ‘ স্যাগিটারিয়াস ‘[ ৪০ লক্ষ সূর্যের ভরের সমান ] থেকে প্রায় ৫০০ গুণ বড়।
এই ব্ল্যাকহোলটির ইভেন্ট হরাইজন (একটি নির্দিষ্ট সীমারেখা) আমাদের ছায়াপথের সমস্ত আলোর উজ্জ্বলতা থেকে প্রায় ৭০০০ গুণ বেশি উজ্জ্বল।
– সূত্র এনডিটিভি।

Manual7 Ad Code

নোট : ব্ল্যাক হোল ( কৃষ্ণগহ্বর )

Manual3 Ad Code

বিজ্ঞানীদের প্রাথমিক ধারণা সূর্যের চেয়ে অন্তত ১০০ গুন বড় ভরের কোন নক্ষত্রের জ্বালানি
[ জ্বালানির উপাদান : বেশিরভাগই হাইড্রোজেন (73.46%), হিলিয়াম (24.85%) , স্বল্পমাত্রায় অক্সিজেন (0.77%) , কার্বন (0.29 %), নিয়ন(0.12%), আইরন (0.16% ) এবং খুবই সামান্য পরিমাণ নাইট্রোজেন, সিলিকন, ম্যাগনেসিয়াম ও সালফার ]
শেষ হলে সংকুচিত হয়ে অসীম ঘনত্বের বিশাল ভরের প্রচন্ড মহাকর্ষ শক্তিসম্পন্ন বস্তুতে পরিণত হয় যাকে তার বৈশিষ্ট্যের দরুণ ব্ল্যাক হোল বলে অভিহিত করা হয়।
ব্ল্যাক হোলের ইভেন্ট হরাইজন অতিক্রম করলে সব কিছুকেই নিজের কেন্দ্রের দিকে প্রচন্ড শক্তিতে টেনে নেয় এবং যে কোনো বস্তু এমনকি প্রচন্ড গতির আলো শক্তি
[প্রতি সেকেন্ডে একলক্ষ ছিয়াশি হাজার মাইল]
পর্যন্ত চিরতরে এর মধ্যে হারিয়ে যায় যা আর বের হয়ে আসতে পারেনা। সেজন্য এটিকে কালো দেখায় এবং তাই নামকরণ করা হয়েছে ব্লাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বর।