ফিনিক্স

প্রকাশিত: ১:১৪ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫

ফিনিক্স

Manual4 Ad Code

নাজিয়া নিগার |

তুমি যখন প্রেমের কার্তুজটা এই বুকে বিদ্ধ করলে
আমি তখন তোমার বুকের ইজি চেয়ারে বসে
নিশ্চিন্তে দোল খাচ্ছিলাম!

আর ভাবছিলাম……..
ভাবছিলাম, অনন্তকাল এই বুকে আমি ডানা হাতড়ে বেড়াবো।

Manual3 Ad Code

তোমার বুকের পিঞ্জরে সোহাগ বুনে বুনে
নাম লিখাবো আমার।

আমার গোপন বনের অন্তর চিড়ে দেখাবো…..
ত্বকের ভালোবাসায় তুমি কতোটা ফিনিক্স হয়ে ছুঁয়ে থাকো
আমার গালে, বুকে, ঠোঁটের কার্নিশে!

Manual3 Ad Code

অন্তর চিড়ে দেখাতাম….
দেখাতাম, কতোটা সুখ গিলে থাকো….
আমায়, দুঃখ দিয়ে তুমি সারাবেলা!

দেখাতাম বাঁকা সাপের মতো কোমড়ের ভাজে….
কতোটা ছুঁয়ে থাকো বিন্দু বিন্দু শিশির হয়ে আমার মাঝে!

বুকের ক্ষরণে পুজোর আগুন কতোটা ক্কিরান ফরজে পরিণত হয় সে তোমার জানার নয়।

আর তাই বুঝি তুমি, এই আমাকে কতোটা সহজে
খাটিয়ায় তুলে পৌঁছে দিলে প্লুটোতে!
#
©নাজিয়া নিগার

Manual3 Ad Code

ছবি কারিগর: Jugal Sarkar
#

Manual4 Ad Code

এই কবিতার সারমর্ম হলো—

কবিতাটি প্রেম, বিশ্বাস ও ভাঙনের এক তীব্র আত্মগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে। বক্তা প্রেমে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করে প্রিয়জনের বুকে নিরাপত্তা ও চিরস্থায়ীত্বের স্বপ্ন দেখেছিল। সে নিজেকে ভালোবাসার আশ্রয়ে, স্নেহ ও শরীরী ঘনিষ্ঠতায় এক ধরনের ফিনিক্সের মতো পুনর্জন্মের আশা নিয়ে মেলে ধরতে চেয়েছিল নিজের সব গোপন অনুভব ও দুর্বলতা। কিন্তু সেই ভালোবাসাই শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠে যন্ত্রণা ও শোষণের কারণ। প্রিয়জন তার সুখ গিলে নেয়, দুঃখ দিয়ে তাকে বাঁচিয়ে রাখে, এবং সহজেই তাকে ছুড়ে ফেলে দেয় এক নিঃসঙ্গ, শীতল দূরত্বে—যার প্রতীক হিসেবে এসেছে ‘প্লুটো’। সার্বিকভাবে, কবিতাটি প্রেমের মোহ, বিশ্বাসভঙ্গ, এবং আত্মার গভীর ক্ষরণের বেদনাকে রূপক ও শরীরী ভাষায় প্রকাশ করেছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ