ধর্ষণের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল করা যেতে পারে: ওয়ার্কার্স পার্টি

প্রকাশিত: ১:৪১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১০, ২০২০

ধর্ষণের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল করা যেতে পারে: ওয়ার্কার্স পার্টি

Manual5 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি || ঢাকা, ১০ অক্টোবর ২০২০ : ধর্ষণের মতো অপরাধীর বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা যেতে পারে বলে মনে করে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি।

ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সভায় গৃহীত প্রস্তাবে এ মত দেয়া হয়।
শনিবার পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপির সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি।

Manual2 Ad Code

সভা শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পার্টির প্রস্তাবগুলো গণমাধ্যমে জানানো হয়। এতে বলা হয়, ধর্ষণের মতো অপরাধীকে বাঁচাতে রাজনৈতিক পৃষ্টপোষকতা বন্ধ করতে হবে। এ ব্যাপারে পরস্পরের বিরুদ্ধে ‘ব্লেইম গেম’ ও ধর্ষণবিরোধী প্রতিবাদকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার যে অপকৌশল আমরা লক্ষ্য করেছি তাও বন্ধ করতে হবে।

Manual6 Ad Code

সম্প্রতি ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী স্বত:স্ফুর্ত প্রতিবাদকে স্বাগত জানিয়ে ওয়ার্কার্স পার্টি বলেছে, এটা স্বস্তির যে দেশের মানুষের প্রতিবাদ-প্রতিরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীর উদ্যোগী হয়ে ব্যবস্থা নিয়েছে এবং সরকারও ধর্ষণ আইনের পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে কেবল আইন করে নয়, আইনের প্রয়োগ বিশেষ করে ধর্ষণের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইনের পরিবর্তন এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি আইনের উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে। আইনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিরোধই ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য ও অপরাধ বন্ধ করতে পারে। ওয়ার্কাস পার্টি নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তনের জন্য সবাইকে বিশেষ করে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে।

Manual8 Ad Code

ওয়ার্কার্স পার্টির প্রস্তাবে বলা হয়, ধর্ষণ জাতীয় এ ধরনের সকল অপরাধ রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রস্তাবে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান সম্পর্কে বলা হয়, এসিড নিক্ষেপজনিত সময়ে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে তদ্বিষয়ক আইনের পরিবর্তন ওই অপরাধ কমাতে সাহায্য করেছে ঠিকই, তবে সে ক্ষেত্রেও মূল ভূমিকা রেখেছে সামাজিক প্রতিরোধ। ধর্ষণের ক্ষেত্রে এই সামাজিক প্রতিরোধের উপরেই পার্টি বিশেষ গুরুত্বআরোপ করছে এবং এ ব্যাপারে মানুষকে সচেতন করতে পরিবার থেকে শুরু করে শিক্ষা ব্যবস্থা, পাঠ্যসূচি, চলাফেরা ও কার্য্যক্ষেত্রে নারীকে সম্মান করা ও তার অধিকার সমুন্নত রাখার বিষয়টি সকল রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কাজের মধ্যে সামনে আনতে হবে।

ওয়ার্কার্স পার্টি এই লক্ষ্যে নিজ সংগঠন ও অন্যান্য সংগঠনে ‘নারী অধিকার মানবাধিকার’ এই দৃষ্টিভঙ্গী প্রতিফলিত করতে উদ্যোগী হবার আহ্বান জানিয়েছে।
সভায় অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্টির নেতা আনিসুর রহমান মল্লিক, ড. সুশান্ত দাস, মাহমুদুল হাসান মানিক, নুর আহমদ বকুল, কামরূল আহসান, আমিনুল ইসলাম গোলাপ, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম হক্কানী, এনামুল হক এমরান প্রমুখ।

Manual6 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ