ছাত্র রাজনীতির অনন্য নেতৃত্ব নেহা বোরা

প্রকাশিত: ১:০৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১২, ২০২৬

ছাত্র রাজনীতির অনন্য নেতৃত্ব নেহা বোরা

Manual3 Ad Code

শাশ্বতী সেন গুপ্ত |

ছাত্র রাজনীতি করার সুযোগ হয়েছে বেশ কয়েকবছর। শুরুটা এসএফআই দিয়ে.. পরবর্তীতে অল্প কিছুদিনের জন্য আইসা! আমার অন্তত মনে হয় ছাত্র রাজনীতি করার যে উন্মাদনা, বিশ্বাস, সাহস এবং অকুতোভয় মানসিকতা। তা ক্রমান্বয়ে এগোতে থাকলেও পরবর্তী ধাপগুলিতে কিছুটা অন্যরকম হয়ে যায়। তবে ভিত যদি হয় ছাত্র রাজনীতি তাহলে সেই ভিত টলানো শুধু মুশকিলই না! অসম্ভব।

তার অনন্য উদাহরণ নেহা বোরা। অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন সর্বভারতীয় সভাপতি তিনি। যে আবার একসময় কিছুবছরের জন্য আমার সহনাগরিক ছিলেন।

যতটুকু সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে শুনেছি। রবীন্দ্রনাথ থেকে ক্ষুদিরাম বোস, চারু মজুমদার থেকে জঙ্গল সাওঁতাল, অরুন্ধুতী রায় কী অনায়াস যাতায়াত।
মুগ্ধ করল নেহা। একটি ঈর্ষণীয় আগামীর মুক্ত অথচ লড়াই করে ছিনিয়ে নেওয়ার হাতছানির আহ্বান রেখে গেল।

জেনজি আন্দোলনের অন্যতম সৈনিক শুধু গণআন্দোলনের ইতিহাসের দিকে ফিরেই তাকালেন না। বললেন যে, এই রেজিমের শেষের শুরুটা ওনাদের দ্বারাই শুরু হয়েছে বলে তিনি গর্বিত বোধ করছেন। তিনি নতুন সমাজের যে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন তার অনেকটাই অনেকটাই কেন সবটাই দখল করে আছেন রবীন্দ্রনাথ …
Where the mind is without fear and the head is held high;
Where knowledge is free;
Where the world has not been broken up into fragments by narrow domestic walls;
Where words come out from the depth of truth;
Where tireless striving stretches its arms towards perfection;
Where the clear stream of reason has not lost its way into the dreary desert sand of dead habit;
Where the mind is led forward by thee into ever-widening thought and action
Into that heaven of freedom, my Father, let my country awake.

Manual4 Ad Code

দখল করে আছে বাংলা সহ ভারতবর্ষের ,পৃথিবীর কমিউনিস্ট আন্দোলনের একটি বিশাল অংশ। যা আলোক- বর্তিকার মতো নেহাদের এগিয়ে নিয়ে যাবে। তার অগ্রগামী হয়ে উঠুক সংগ্রামী, মেহনতি মানুষের। অন্ধকারে লাইটহাউস/ বাতিঘরের মতো আগামীর পথ দেখাক ছাত্র যুব সহ আমাদের মতো অনেক কিছু করতে চেয়েও কিছুই করতে না পারা মানুষদেরকে।

Manual3 Ad Code

এই মুহুর্তে আমার মতো অনেক মানুষই হয়ত নির্দিষ্ট অবস্থান আছে… কিন্তু…!
তবুও লাল পতাকার আশ্বাসে আজও বলতেই হয় সীমানা পেরোতে চাই, জীবনের গান গাই। ঠিক যেন দূর থেকে দেখা রাতের অন্ধকার সরিয়ে রেখে নদীর পাড়ে সার দিযে দাঁড়ানো নৌকাগুলোর একত্রিত আলোকে আলোকিত নেহারা আগামীর গন্তব্যের দিকে আমাদের নিশ্চিত নিয়ে যাবে…যাবেই। ততক্ষণ আমরাও বলব না হয় ‘এ জীবন ভালোবেসে তোমাকে চাই…!

Manual4 Ad Code

পাথেয় হোক সুকান্ত ভট্টাচার্যের অমোঘ উচ্চারণ..

বেজে উঠল কি সময়ের ঘড়ি?
এসো তবে আজ বিদ্রোহ করি,
আমরা সবাই যে যার প্রহরী
উঠুক ডাক।

Manual2 Ad Code

উঠুক তুফান মাটিতে পাহাড়ে
জ্বলুক আগুন গরিবের হাড়ে
কোটি করাঘাত পৌঁছোক দ্বারে;
ভীরুরা থাক।

মানবো না বাধা, মানবো না ক্ষতি,
চোখে যুদ্ধের দৃঢ় সম্মতি
রুখবে কে আর এ অগ্রগতি,
সাধ্য কার?

রুটি দেবে নাকো? দেবে না অন্ন?
এ লড়াইয়ে তুমি নও প্রসন্ন?
চোখ-রাঙানিকে করি না গণ্য
ধারি না ধার।

খ্যাতির মুখেতে পদাঘাত করি,
গড়ি, আমরা যে বিদ্রোহ গড়ি,
ছিঁড়ি দুহাতের শৃঙ্খলদড়ি,
মৃত্যুপণ।

দিক থেকে দিকে বিদ্রোহ ছোটে,
বসে থাকবার বেলা নেই মোটে,
রক্তে রক্তে লাল হয়ে ওঠে
পূর্বকোণ।

ছিঁড়ি, গোলামির দলিলকে ছিঁড়ি,
বেপরোয়াদের দলে গিয়ে ভিড়ি
খুঁজি কোনখানে স্বর্গের সিঁড়ি,
কোথায় প্রাণ!

দেখব, ওপরে আজো আছে কারা,
খসাব আঘাতে আকাশের তারা,
সারা দুনিয়াকে দেব শেষ নাড়া,
ছড়াব ধান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ