জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

প্রকাশিত: ১০:০১ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৮, ২০২৪

জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

Manual7 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | কুমিল্লা (দক্ষিণ), ০৮ এপ্রিল ২০২৪ : ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। রোজার শেষ মূহুর্তে এসেও কুমিল্লার মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের কমতি নেই। শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে কুমিল্লার ফুটপাত থেকে শুরু করে মার্কেটগুলোতে। ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় হওয়ায় হিমশিম খেতে হচ্ছে বিক্রেতাদের।

Manual1 Ad Code

সোমবার কুমিল্লার শহরের কান্দিরপাড়, মনোহরপুর, রাজগঞ্জ ও চকবাজার এলাকার বিভিন্ন শপিংমল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

Manual2 Ad Code

বিভিন্ন মার্কেট ও শপিং মল ঘুরে পছন্দের পোশাকসহ প্রয়োজনীয় ঈদ সামগ্রী খুঁজে নিচ্ছেন। পোশাক, কসমেটিকস, জুতাসহ অন্যান্য দোকান ও ফুটপাতজুড়ে কেনাবেচা চলছে সমানতালে।

কুমিল্লার কান্দিরপাড় এলাকার বিভিন্ন শপিং মল ঘুরে দেখা গেছে রোজার শেষ মুহূর্ত এসেও ক্রেতাদের কোনো কমতি নেই। ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে শপিংমলগুলোতে। সোমবার সকাল থেকেই মার্কেটমুখী ক্রেতাদের চাপ বাড়তে থাকে। বিশেষ করে ব্র্যান্ডের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পুরুষদের আকর্ষণের তালিকায় বরাবরই পাঞ্জাবি। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। শার্ট-পাঞ্জাবি ছাড়াও প্যান্ট ও জুতার দোকানে পুরুষ ক্রেতাদের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে কসমেটিকস ও গহনার দোকানে নারীদের প্রচন্ড ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিক্রেতারা বলছেন, শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় মানুষের যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। বেচাবিক্রিও ভালো হচ্ছে।

Manual6 Ad Code

কুমিল্লার খন্দকার প্লাজার কাপড় বিক্রেতা জালাল উদ্দিন বলেন, গত দুই বছরের তুলনায় এবার বেচাকেনা অনেক বেশি হয়েছে। শেষ মুহূর্তে এসেও ক্রেতাদের সমাগম কমতি নেই। এখন যারা আসছেন তারা খালি হাতে ফিরছেন না, কেনাকাটা করতেই আসছেন।

কসমেটিক বিক্রেতা মো. আমিন বলেন, গত কয়েক বছর করোনার কারণে আমাদের যে ক্ষতি হয়েছে এবছর বিক্রির মাধ্যমে তার কিছুটা হলেও পুষিয়েছে। পুরো রমজান করে বেচাকেনা ভালো হয়েছে। গত শুক্রবার থেকে আজ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বেচাকেনা হয়েছে। ক্রেতাদের হাতেও এখন টাকা আছে।

Manual3 Ad Code

জেলার বরুড়া থেকে এসেছেন মাসুদ হোসেন নামে এক ক্রেতা। তিনি বলেন, কেনাকাটা অধিকাংশ আগেই করা হয়েছ। টুকটাক যা বাকি ছিল সেগুলো নেওয়ার জন্য এসেছি।
আবুল খায়ের নামের আরেক ক্রেতা বলেন, রোজার শুরুতে কাজের চাপে ঈদের কেনাকাটা করতে পারিনি। ছুটি পেয়েছি তাই বাড়ির সকলের জন্য কেনাকাটা করতে মার্কেটে এসেছি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ