গণমাধ্যম হচ্ছে জনগণের সংগ্রামের সহযোদ্ধা, নীতি ও আদর্শের যৌথ প্রচারক: সৈয়দ আমিরুজ্জামান

প্রকাশিত: ৩:০১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৬, ২০২৫

গণমাধ্যম হচ্ছে জনগণের সংগ্রামের সহযোদ্ধা, নীতি ও আদর্শের যৌথ প্রচারক: সৈয়দ আমিরুজ্জামান

Manual5 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি | শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার), ২৬ নভেম্বর ২০২৫ : মুক্তচিন্তার দূরন্ত প্রকাশ দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ পত্রিকার নবযাত্রার একবছর পূর্তিতে এর উত্তরোত্তর অগ্রগতি ও সফলতা কামনা করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক, ইংরেজি দৈনিক দ্য ফিনান্সিয়াল পোস্ট ও সাপ্তাহিক নতুন কথার বিশেষ প্রতিনিধি, আরপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেছেন, “গণমাধ্যমকে বলা হয় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। অপর তিনটি স্তম্ভ হচ্ছে, আইনসভা, বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগ। বোঝাই যাচ্ছে গণমাধ্যমের গুরুত্ব ও অবস্থান কোথায়! জনস্বার্থ অভিমুখী মুক্ত গণমাধ্যম ছাড়া একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পূর্ণতা পায় না। সরকার ও প্রশাসনের অসঙ্গতি ধরিয়ে দেওয়াসহ জনগণের সংগ্রামের সহযোদ্ধা হিসেবে গণমাধ্যমকে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করতে হয়।

আসলে গণমাধ্যম হচ্ছে জনগণের সংগ্রামের সহযোদ্ধা, নীতি-আদর্শের যৌথ প্রচারক ও যৌথ আন্দোলনকারী, জনস্বার্থ ও রাষ্ট্রের পাহারাদার। গণমাধ্যমই সঠিক পথ বাতলে দেয় যাতে সরকার, প্রশাসন ও জনগণ সঠিক পথে পরিচালিত হতে পারে। গণমাধ্যম সরকার, প্রশাসন ও জনগণের প্রতিপক্ষ নয়; তবে জনস্বার্থে নজরদারী করবে। কাজেই বলিষ্ট ও শক্তিশালী গণমাধ্যম ছাড়া জনস্বার্থের রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারে না।
রাষ্ট্রের অন্য তিনটি স্তম্ভ নড়বড়ে হয়ে গেলেও চতুর্থ স্তম্ভ শক্ত থাকলে রাষ্ট্রকে গণমুখী রাখা যায়। আর চতুর্থ স্তম্ভ নড়বড়ে হলে রাষ্ট্রব্যবস্থা গণবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, রাষ্ট্র বিপদগ্রস্ত হয়।
আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব আশাবাদী মানুষ। আঁধার কেটে নিশ্চয়ই আলো আসবে। কিন্তু সেটা কি প্রকৃতির নিয়মে হবে? কাউকে না কাউকে ভূমিকা পালন করতে হয়।
সাংবাদিকতায় ঝুঁকি থাকবেই। সজাগ ও সচেতন থাকলে সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিকরা হারিয়ে যাবেনা। সাংবাদিকতার ডিকশনারি থেকে সততা ও পেশাদারিত্ব শব্দ দুটি কখনই বিলীন হবে না। সেখানে অসৎ আর হলুদ সাংবাদিকতার স্থান নেই।”

দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ পত্রিকার নবযাত্রার একবছর পূর্তি উপলক্ষ্যে শ্রীমঙ্গলে আয়োজিত আলোচনা সভায় অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পত্রিকাটির একবছর পূর্তি উপলক্ষ্যে শ্রীমঙ্গলে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে উদযাপন করা হয়।

বুধবার (২৬ নভেম্বর ২০২৫) দুপুরে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিবুল্লাহ আকন।

Manual3 Ad Code

বক্তব্য রাখছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহিবুল্লা আকন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিবুল্লাহ আকন গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজকে আলোকিত করে এবং প্রশাসনকে সঠিক পথে পরিচালিত হতে সহযোগিতা করে।”

Manual3 Ad Code

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ক গবেষক, ইংরেজি দৈনিক দ্য ফিনান্সিয়াল পোস্ট ও সাপ্তাহিক নতুন কথার বিশেষ প্রতিনিধি, আরপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান; শ্রীমঙ্গল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা অসীম কুমার কর, সিনিয়র সাংবাদিক আতাউর রহমান কাজল, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকার প্রতিনিধি এম এ রকিব, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার প্রতিনিধি শিমুল তরফদার, দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রতিদিনের মৌলভীবাজার-এর সম্পাদক সালাউদ্দিন শুভ, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার প্রতিনিধি কাজী গোলাম কিবরিয়া জুয়েল, বাংলাদেশ বেতারের তালিকাভুক্ত গীতিকার ও সাংবাদিক পারভেজ হাসান, দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার প্রতিনিধি মো. জামাল মিয়া, দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার প্রতিনিধি রাজেশ ভৌমিক, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি জয়নাল আবেদীন বাদশা, দৈনিক মানবকন্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি মো. আলামিন, পত্রিকার এজেন্ট ‘ইত্যাদি’র গৌতম দাশ ও বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতা মোজাহিদ আহমেদ সহ অন্যান্যরা।

সভাপতিত্ব করেন দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ পত্রিকার প্রতিনিধি তানভীর আহমেদ কাওসার।

Manual7 Ad Code

Manual3 Ad Code

আলোচনা সভা শেষে কেক কাটা ও সভাপতির শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে সমাপ্তি হয়।

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ