আয়ারল্যান্ডে ২০০ বছরের পুরোনো দুর্গ কিনলেন মার্ক জাকারবার্গ

প্রকাশিত: ১১:০৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২১, ২০২৬

আয়ারল্যান্ডে ২০০ বছরের পুরোনো দুর্গ কিনলেন মার্ক জাকারবার্গ

Manual3 Ad Code

আয়ারল্যান্ডের কাউন্টি ওয়াটারফোর্ডের স্ট্র্যানক্যালি দুর্গ। ছবি: রয়টার্স

  • ৪৪০ একর জমিসহ গথিক স্থাপনা; দাম হতে পারে ২–৩ কোটি ইউরো, সংস্কারে চলছে দুই দশকের কাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ডাবলিন (আয়ারল্যান্ড), ২১ আগস্ট ২০২৬ : ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক জাকারবার্গ আয়ারল্যান্ডে প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো একটি ঐতিহাসিক দুর্গ কিনেছেন। স্ত্রী প্রিসিলা চ্যানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি কাউন্টি ওয়াটারফোর্ডের স্ট্র্যানক্যালি দুর্গ এবং এর সঙ্গে থাকা প্রায় ৪৪০ একর জমির মালিক হয়েছেন। কয়েক সপ্তাহ আগে গোপনীয় এক চুক্তির মাধ্যমে এ কেনাবেচা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।

Manual8 Ad Code

দুর্গটি ঠিক কত দামে বিক্রি হয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়নি। তবে ব্রিটিশ ও আইরিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্গ ও বিশাল এস্টেটটির মূল্য ২ কোটি থেকে ৩ কোটি ইউরোর মধ্যে হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় কয়েক শ কোটি টাকা।

জাকারবার্গের মতো বিশ্বের অন্যতম ধনী প্রযুক্তি উদ্যোক্তার এ সম্পত্তি কেনার খবর প্রকাশের পর আয়ারল্যান্ডে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ঐতিহাসিক স্থাপনা, বিশাল জমি ও দীর্ঘ সংস্কারকাজের কারণে স্ট্র্যানক্যালি দুর্গটি দেশটির অন্যতম আকর্ষণীয় ব্যক্তিমালিকানাধীন সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

নদীর তীরে ১৬ হাজার বর্গফুটের দুর্গ

গথিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত স্ট্র্যানক্যালি দুর্গের আয়তন প্রায় ১৬ হাজার বর্গফুট। এটি ব্ল্যাকওয়াটার নদীর তীরে অবস্থিত। দক্ষিণ আয়ারল্যান্ডের ইওগাল শহর থেকে দুর্গটিতে গাড়িতে যেতে প্রায় ৩০ মিনিট সময় লাগে।

দুর্গটির সঙ্গে রয়েছে বিস্তীর্ণ জমি ও প্রাকৃতিক পরিবেশ। ঐতিহাসিক ভবনটির সংস্কারকাজও দীর্ঘদিন ধরে চলছে। প্রায় ২০ বছর ধরে দুর্গটির সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কাজ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ন রাখার পাশাপাশি আধুনিক সুযোগ-সুবিধাও এতে যুক্ত হয়েছে।

ঐতিহাসিক স্থাপত্যের সঙ্গে বিস্তৃত জমি, নদীর তীর এবং অপেক্ষাকৃত নিরিবিলি পরিবেশ—সব মিলিয়ে সম্পত্তিটি জাকারবার্গ পরিবারের ব্যক্তিগত অবকাশযাপনের জন্য উপযোগী বলে মনে করা হচ্ছে।

নির্মাণের ইতিহাস প্রায় দুই শতাব্দীর

স্ট্র্যানক্যালি দুর্গের ইতিহাস উনিশ শতকের প্রথমার্ধের। মূলত ১৮৩০ সালের দিকে টোরি দলের সংসদ সদস্য জন কেইলির জন্য দুর্গটি নির্মাণ করা হয়। স্থাপনাটির নকশা করেন স্থাপত্যজগতের পরিচিত দুই ভাই জেমস পেইন ও জর্জ রিচার্ড পেইন।

আয়ারল্যান্ডের ঐতিহাসিক স্থাপত্যে এই দুই স্থপতির উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। তাঁদের নকশা করা অন্যান্য স্থাপনার মধ্যে রয়েছে কাউন্টি ক্লেয়ারের ড্রোমোল্যান্ড দুর্গ, কর্ক কাউন্টি জেলখানা এবং কর্ক শহরের ব্ল্যাকরক দুর্গ।

ফলে স্ট্র্যানক্যালি দুর্গ শুধু একটি বিলাসবহুল আবাসন নয়; আয়ারল্যান্ডের স্থাপত্য ও জমিদারি ইতিহাসের সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে।

২৫ বছর পর মালিকানা বদল

জাকারবার্গ ও প্রিসিলা চ্যান যে দম্পতির কাছ থেকে সম্পত্তিটি কিনেছেন, তাঁরা হলেন মাইকেল ও জিয়ানকার্লা অ্যালেন বাকলি। প্রায় ২৫ বছর ধরে এই দম্পতি স্ট্র্যানক্যালি দুর্গ ও এস্টেটের মালিক ছিলেন।

মাইকেল বাকলি লন্ডনভিত্তিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আরএবি ক্যাপিটালের সহপ্রতিষ্ঠাতা। তাঁর স্ত্রী জিয়ানকার্লা অ্যালেন বাকলি প্রয়াত হোটেল ব্যবসায়ী চার্লস ফোর্টের মেয়ে। তিনি রোকো ফোর্ট হোটেলস গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা রোকো ফোর্টের বোন।

সম্পত্তি বিক্রির বিষয়ে সাবেক মালিক দম্পতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, জাকারবার্গ ও তাঁর পরিবার দুর্গটির পাশাপাশি আশপাশের জমিতে বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অব্যাহত রাখার আগ্রহ দেখিয়েছেন। নতুন মালিকদের হাতে সম্পত্তিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁরা ‘আনন্দিত’ বলেও জানিয়েছেন।

আয়ারল্যান্ডে জাকারবার্গের আগ্রহ নতুন নয়

আয়ারল্যান্ডে সম্পত্তি কেনার ক্ষেত্রে জাকারবার্গের আগ্রহের খবর অবশ্য এবারই প্রথম নয়। গত বছর তাঁর এ ধরনের আগ্রহের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া এক বক্তব্যে শতকোটিপতি ব্যবসায়ী জন ম্যালন জানিয়েছিলেন, জাকারবার্গ তাঁর কাউন্টি কিলডেয়ারে অবস্থিত ক্যাসেলমার্টিন হাউস ও এস্টেট কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে লিবার্টি মিডিয়ার মালিক ম্যালন সেই প্রস্তাবে রাজি হননি এবং সম্পত্তিটি বিক্রি করেননি।

এরপর ওয়াটারফোর্ডের ঐতিহাসিক স্ট্র্যানক্যালি দুর্গ কেনার মাধ্যমে আয়ারল্যান্ডে জাকারবার্গ পরিবারের স্থাবর সম্পত্তির মালিকানা আরও বিস্তৃত হলো।

মেটার সঙ্গে আয়ারল্যান্ডের দীর্ঘ সম্পর্ক

আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে জাকারবার্গের ব্যবসায়িক সম্পর্কও দীর্ঘদিনের। ২০০৯ সাল থেকে দেশটির রাজধানী ডাবলিনে মেটার ইউরোপীয় সদর দপ্তর রয়েছে। সেখানে কোম্পানিটির প্রায় ১ হাজার ৫০০ কর্মী কাজ করেন।

Manual4 Ad Code

ইউরোপে মেটার কার্যক্রম পরিচালনায় আয়ারল্যান্ড গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র। করপোরেট কার্যক্রম, প্রযুক্তি ও ইউরোপীয় বাজারে ব্যবসায়িক উপস্থিতির দিক থেকেও দেশটি মেটার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

Manual5 Ad Code

এই প্রেক্ষাপটে জাকারবার্গের ব্যক্তিগত সম্পত্তি কেনার ক্ষেত্রেও আয়ারল্যান্ডের প্রতি তাঁর আগ্রহকে কেউ কেউ দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখছেন। তবে স্ট্র্যানক্যালি দুর্গ কেনার সিদ্ধান্তের পেছনে সুনির্দিষ্ট কারণ বা ভবিষ্যৎ ব্যবহারের পরিকল্পনা সম্পর্কে জাকারবার্গ বা মেটার পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রেই থাকার সম্ভাবনা

স্ট্র্যানক্যালি দুর্গ কেনার পর প্রশ্ন উঠেছে, জাকারবার্গ পরিবার কি আয়ারল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করছে?

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এমন সম্ভাবনা আপাতত নেই। ধারণা করা হচ্ছে, জাকারবার্গ ও প্রিসিলা চ্যান যুক্তরাষ্ট্রেই তাঁদের প্রধান আবাসস্থল রাখবেন। আয়ারল্যান্ডে অবস্থান বা ভ্রমণের সময় স্ট্র্যানক্যালি দুর্গটি তাঁরা ব্যক্তিগত অবকাশযাপন ও পারিবারিক ব্যবহারের জন্য ব্যবহার করতে পারেন।

বিশাল সম্পত্তি কেনার ক্ষেত্রে জাকারবার্গের আগ্রহ অবশ্য নতুন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যেও তাঁর বিপুল পরিমাণ জমি ও বাড়ি রয়েছে।

হাওয়াইয়ে হাজার একরের বেশি জমি

হাওয়াইয়ের কাউয়াই দ্বীপে জাকারবার্গ ১ হাজার একরের বেশি জমি কিনেছেন। সেখানে তিনি বড় আকারের একটি ব্যক্তিগত এস্টেট গড়ে তুলছেন বলে বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

এই প্রকল্পে দুটি বড় বাড়ি ছাড়াও প্রায় ৫ হাজার বর্গফুটের একটি ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্র বা বাঙ্কার রয়েছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। জমি কেনা ও নির্মাণকাজ মিলিয়ে সেখানে জাকারবার্গের কোটি কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

কাউয়াইয়ের এই সম্পত্তি নিয়ে অতীতে স্থানীয় পর্যায়ে বিতর্কও হয়েছে। ব্যক্তিগত মালিকানাধীন বিশাল এস্টেট ও এর উন্নয়ন ঘিরে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, ভূমি ব্যবহার এবং পরিবেশসংক্রান্ত নানা প্রশ্নও সামনে এসেছে।

লেক টাহোতেও বিশাল এস্টেট

ক্যালিফোর্নিয়া-নেভাডা সীমান্তে অবস্থিত জনপ্রিয় অবকাশযাপন কেন্দ্র লেক টাহোর পশ্চিম তীরেও জাকারবার্গ ও তাঁর পরিবারের একাধিক সম্পত্তি রয়েছে।

২০১৮ সালে তিনি প্রায় ৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার ব্যয়ে সেখানে দুটি সম্পত্তি কিনেছিলেন। পরবর্তী সময়ে ওই এলাকায় একাধিক ভবন নিয়ে বড় একটি ব্যক্তিগত এস্টেট গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন তিনি।

এ ছাড়া চলতি বছরের শুরুতে জাকারবার্গ ও প্রিসিলা চ্যান মায়ামির ইন্ডিয়ান ক্রিক দ্বীপে প্রায় ১৭ কোটি ডলার দিয়ে একটি বিশাল বাড়ি কিনেছেন বলে জানা গেছে। মায়ামির বিলাসবহুল এই দ্বীপটি ‘বিলিয়নিয়ার বাঙ্কার’ নামে পরিচিত। বিশ্বের বহু ধনী ব্যক্তি সেখানে বসবাস করেন বা সম্পত্তির মালিক।

প্রায় ১৯ হাজার কোটি ডলারের সম্পদ

মার্ক জাকারবার্গ বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি। তাঁর আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৯ হাজার কোটি বা ১৯০ বিলিয়ন ডলার। মূলত মেটার শেয়ারমূল্য ও কোম্পানিটির মালিকানায় তাঁর অংশীদারত্বের ওপর তাঁর সম্পদের বড় অংশ নির্ভরশীল।

ফেসবুক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রযুক্তি দুনিয়ায় উত্থান ঘটে জাকারবার্গের। পরে ফেসবুকের মূল কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে মেটা রাখা হয়। ফেসবুকের পাশাপাশি ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপসহ একাধিক জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম মেটার অধীনে রয়েছে।

বিশাল সম্পদের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি কেনা ও বিনিয়োগও নিয়মিত সংবাদমাধ্যমের আলোচনায় আসে।

মেটার বিরুদ্ধে বড় আইনি লড়াই

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে মেটা যখন বড় ধরনের আইনি লড়াইয়ের মুখোমুখি, ঠিক সেই সময়েই জাকারবার্গের আয়ারল্যান্ডে নতুন সম্পত্তি কেনার খবর সামনে এলো।

যুক্তরাষ্ট্রের ২৯টি অঙ্গরাজ্যের অভিযোগের ভিত্তিতে ক্যালিফোর্নিয়ায় মেটার বিরুদ্ধে বিচার চলছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এমনভাবে নকশা করা হয়েছে, যা শিশু ও কিশোরদের মধ্যে আসক্তি তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে এসব প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা ও শিশুদের ওপর সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানটি জনগণকে বিভ্রান্ত করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

Manual8 Ad Code

তবে মেটা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে বলা হয়েছে, তরুণ ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার নিয়ে উত্থাপিত উদ্বেগ মোকাবিলায় কাজ করছে।

ব্যক্তিগত সম্পত্তির তালিকায় আরও একটি ঐতিহাসিক সংযোজন

স্ট্র্যানক্যালি দুর্গ কেনার মধ্য দিয়ে জাকারবার্গের বিশ্বজুড়ে বিলাসবহুল ও ঐতিহাসিক সম্পত্তির তালিকায় যোগ হলো আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্থাপনা। তবে এটি তাঁর অন্য অনেক সম্পত্তির তুলনায় ভিন্ন ধরনের—কারণ আধুনিক বিলাসবহুল বাড়ির পাশাপাশি এখানে রয়েছে প্রায় দুই শতাব্দীর ইতিহাস, ঐতিহ্যবাহী গথিক স্থাপত্য এবং ৪৪০ একরের বিশাল এস্টেট।

বর্তমানে দুর্গটির ভবিষ্যৎ ব্যবহার, সংস্কার ও আশপাশের জমির উন্নয়ন নিয়ে নতুন মালিকের পরিকল্পনা কী—তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে সাবেক মালিকদের বক্তব্য অনুযায়ী, জাকারবার্গ পরিবার সম্পত্তিটিতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

সব মিলিয়ে, বিশ্বের অন্যতম ধনী প্রযুক্তি উদ্যোক্তার আয়ারল্যান্ডের ঐতিহাসিক এই দুর্গ কেনা দেশটির অভিজাত সম্পত্তিবাজার, ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক ধনীদের ব্যক্তিগত বিনিয়োগ—তিন ক্ষেত্রেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ