গুলশান সেন্ট্রাল পার্কের ব্যবস্থাপনা চুক্তি বেআইনি ঘোষণা করে হাইকোর্টের রুল

প্রকাশিত: ৫:৪৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬

গুলশান সেন্ট্রাল পার্কের ব্যবস্থাপনা চুক্তি বেআইনি ঘোষণা করে হাইকোর্টের রুল

Manual7 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : গুলশান সেন্ট্রাল পার্কের ব্যবস্থাপনার জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের মধ্যে করা চুক্তি কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে ওই চুক্তির আওতায় পার্ক ও মাঠ ব্যবহারের জন্য নাগরিকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং সেখানে বেআইনি স্থাপনা নির্মাণের কার্যক্রম কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের দ্বৈত বেঞ্চের বিচারপতি ইকবাল কবির ও বিচারপতি এস এম সাইফুল ইসলাম এ রুল জারি করেন।

Manual3 Ad Code

রিট আবেদনে বলা হয়, রাজউক ও গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের মধ্যে করা সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে গুলশান সেন্ট্রাল পার্ক ও মাঠ ব্যবহারের জন্য নাগরিকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের ব্যবস্থা মাঠ, পার্ক ও জলাধার সংরক্ষণ-সংক্রান্ত আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধানগুলোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

Manual5 Ad Code

আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, গুলশান ইয়ুথ ক্লাব মাঠ, পার্ক ও জলাধার সংরক্ষণ-সংক্রান্ত আইন এবং এ বিষয়ে আপিল বিভাগের দেওয়া নির্দেশনা লঙ্ঘন করে পার্ক এলাকায় বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করছে।

Manual5 Ad Code

শুনানি শেষে আদালত জানতে চান, রাজউক ও গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির মাধ্যমে মাঠ ব্যবহারের জন্য অর্থ আদায় এবং বেআইনি স্থাপনা নির্মাণের কার্যক্রম কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না।

Manual8 Ad Code

এ ছাড়া মাস্টারপ্ল্যানের বিধান লঙ্ঘন করে নির্মিত বেআইনি স্থাপনা চিহ্নিত করার জন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।

রিট আবেদনে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, রাজউক, বাংলাদেশ পুলিশ এবং ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।

পরিবেশবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান, ফিরোজ আহমেদ, আমিরুল রাজিব ও সৈয়দা শাহীন মাহবুবের পক্ষে রিটের শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম, ব্যারিস্টার নিশাত মাহমুদ এবং মুহাম্মদ আওলাদ হোসেন।

আদালত সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

হাইকোর্টের এ রুলের ফলে গুলশান সেন্ট্রাল পার্কের ব্যবস্থাপনা, পার্ক ও মাঠ ব্যবহারের বিনিময়ে অর্থ আদায় এবং সেখানে নির্মিত স্থাপনার বৈধতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবস্থান আদালতের কাছে ব্যাখ্যা করার সুযোগ তৈরি হলো।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ