নতুন অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের সহযোগিতায় জিয়াউল হক জিয়ার ভূমিকা অনন্য

প্রকাশিত: ১:৫০ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০২৬

নতুন অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের সহযোগিতায় জিয়াউল হক জিয়ার ভূমিকা অনন্য

Manual4 Ad Code

আশরাফ হোসেন |

জিয়াউল হক জিয়া—কানাডার মন্ট্রিয়লে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সুপরিচিত, সম্মানিত ও উজ্জ্বল মুখ। দীর্ঘ প্রায় তিন যুগ ধরে কানাডায় স্বপরিবারে বসবাস করে তিনি বাংলাদেশি তথা বাঙালি কমিউনিটির সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। বিশেষ করে নতুন অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

একজন মানুষ যখন নিজের সময়, শ্রম ও অভিজ্ঞতা দিয়ে অন্যের বিপদের দিনে পাশে দাঁড়ান, তখন তিনি শুধু একজন ব্যক্তি থাকেন না—তিনি হয়ে ওঠেন অনেকের ভরসার জায়গা, পরিনত হন প্রতিষ্ঠানে।

জিয়া ভাইয়ের মতো অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা নতুন আসা মানুষের ভাষাগত ও প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতা বুঝতে সাহায্য করেন। ইন্টারপ্রেটার হিসেবে কাজ করে আইনজীবী এবং শরনার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করেছে।

Manual3 Ad Code

কানাডায় বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক চর্চায় অগ্রসৈনিকদের মধ্যে জিয়া ভাই এবং উনার স্ত্রী শামশাদ রানা ভাবি অন্যতম।

Manual2 Ad Code

নর্থ আমেরিকা বাংলাদেশীদের সবচাইতে বড়ো সংগঠন ফোবানার ৩৯তম আসরের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সফলভাবে সম্পন্ন করার কৃতিত্ব জিয়া ভাইয়ের।

Manual6 Ad Code

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, আমাদের সমাজে কারও ভালো কাজের প্রশংসা করার পরিবর্তে তাঁকে হেয় করার প্রবণতা দেখা যায়। কারও জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা কিংবা সাফল্য যখন অন্য কারও ঈর্ষার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন যুক্তি ও আলোচনার পথ ছেড়ে শুরু হয় ব্যক্তিগত আক্রমণ, অপপ্রচার ও কুৎসা রটানোর চেষ্টা।

অতি সাম্প্রতিক সময়ে কিছু লোক জিয়া ভাইয়ের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হইয়া উনার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা, কুৎসিত, নোংরা, বিকৃত ,প্রপাগান্ডায় লিপ্ত হয়েছে, যা অত্যান্ত নিন্দনীয়।
আমি এই সকল অপকর্মের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

মনে রাখতে হবে, কারও সম্মানহানি করে নিজের সম্মান বাড়ানো যায় না। অন্যকে ছোট করে কেউ কখনো বড় হতে পারে না।

Manual7 Ad Code

আমরা প্রবাসে বসবাস করি। পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ও জন্মভূমি থেকে হাজার মাইল দূরে এই প্রবাসের মাটিতে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হওয়া উচিত পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও ঐক্য। এখানে একজন বাংলাদেশির বিপদ মানে পুরো কমিউনিটির জন্য উদ্বেগের বিষয়; আর একজনের সাফল্য হওয়া উচিত সবার আনন্দের উপলক্ষ।

তাই আসুন, ব্যক্তিগত বিদ্বেষ ও পরশ্রীকাতরতা পরিহার করি। কারও কাজের সমালোচনা করতে হলে যুক্তি দিয়ে করি, অভিযোগ থাকলে প্রমাণসহ উপস্থাপন করি, আর মতবিরোধ দেখা দিলে আলোচনার টেবিলে বসে সমাধানের চেষ্টা করি।

ফেসবুকের কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, চাই পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ।
অপপ্রচার নয়, চাই সত্য ও ন্যায়।
বিভেদ নয়, চাই ঐক্য।

জিয়াউল হক জিয়া ভাইসহ আমাদের কমিউনিটির প্রত্যেক মানুষের প্রতি আহ্বান—আসুন, আমরা পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, সহযোগী হই। একজনের অর্জনকে অন্যজনের পরাজয় হিসেবে না দেখে সম্মিলিত অগ্রগতির অংশ হিসেবে বিবেচনা করি।

আসুন, হিংসা নয়—ভালোবাসা ছড়াই। অপপ্রচার নয়—সত্যকে ধারণ করি। বিভক্তি নয়—ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশি কমিউনিটি গড়ে তুলি।

কানাডাস্থ সকল বাংলাদেশী, বাঙালিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা সম্মান ভালবাসা রইল।
#
আশরাফ হোসেন
মন্ট্রিয়ল, কানাডা।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ