সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন আর নেই

প্রকাশিত: ১১:০০ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৫, ২০২৩

সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন আর নেই

Manual5 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ২৫ অক্টোবর ২০২৩ : সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ও মাদারীপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আবুল হোসেন আর নেই।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বুধবার (২৫ অক্টোবর ২০২৩) রাত ২টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

Manual3 Ad Code

সৈয়দ আবুল হোসেন ১৯৫১ সালে মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।
তিনি স্ত্রী খাজা নার্গিস, দুই মেয়ে সৈয়দা রুবাইয়াত হোসেন এবং সৈয়দা ইফফাত হোসেনকে রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুতে ডাসারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তিনি পেশায় একজন রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী।

আবুল হোসেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হয়ে মাদারীপুর-৩ আসন থেকে ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর তিনি সপ্তম, অষ্টম ও নবম সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরমধ্যে ২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এসময় তিনি অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন।

Manual6 Ad Code

২০১১ সালের ২৮ এপ্রিল পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ১২০ কোটি ডলারের চুক্তি সই করে সরকার। কিন্তু বছরের শেষ দিকেই তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। পরে ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি যোগাযোগ মন্ত্রীর পদ থেকে সৈয়দ আবুল হোসেন পদত্যাগ করেন। সেতু বিভাগের তৎকালীন সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াকেও দায়িত্ব থেকে সরে যেতে হয়।

Manual8 Ad Code

যদিও ঐ বছরের ২ ফেব্রুয়ারি সেতুর ঠিকাদার নিয়োগে দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন দেয় দুদক। কিন্তু ৩০ জুন পদ্মা সেতুর ঋণ চুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংক। তবে ৯ জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Manual2 Ad Code

পরবর্তীতে পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগে কানাডার আদালতে একটি মামলা হয়। দীর্ঘ ৫ বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কানাডার আদালত জানায়, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের যে অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক ঋণ বাতিল করেছিল, তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ