দুই বছর ধরে কারাবন্দী সাংবাদিকরা

প্রকাশিত: ৪:০২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

দুই বছর ধরে কারাবন্দী সাংবাদিকরা

Manual1 Ad Code
  • নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের উদ্বেগ ও মুক্তির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু, বার্তা প্রধান শাকিল আহমেদ এবং প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপাকে দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে রাখার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট। একই সঙ্গে কারাবন্দী সাংবাদিকদের মুক্তি এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

Manual6 Ad Code

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক আকতার হোসেন ও সদস্য সচিব শেখ জামাল এ উদ্বেগ জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, পেশাদার সাংবাদিকদের দীর্ঘ সময় বিচারাধীন অবস্থায় আটক রাখা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের সদস্য মো. রমজান আলীর সই করা বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর শ্যামল দত্ত ও মোজাম্মেল বাবু এবং একই বছরের ২১ আগস্ট শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপাকে আটক করা হয়। সংগঠনটির দাবি, তাদের দীর্ঘদিন কারাগারে রাখার পাশাপাশি এমন কিছু মামলায়ও আসামি করা হয়েছে, যেসব ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা নেই।

Manual7 Ad Code

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালে সাংবাদিক শেখ জামাল, মঞ্জুরুল আলম পান্না, আনিস আলমগীর, শেখ ইমন আহমেদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অর্ধশতাধিক সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে কয়েকজন এখনো কারাগারে রয়েছেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

এ ছাড়া জাতীয় দৈনিক, টেলিভিশন চ্যানেল ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকসহ দেশের ৪৪৬ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে এবং এসব মামলা এখনো বহাল রয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

Manual5 Ad Code

পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাও তুলে ধরেছে সংগঠনটি। বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিক সুমন্ত চক্রবর্তী, মেহেদী মামুন, আব্দুর রহমান, প্রবীর দাস, শ্যামল নন্দী ও মেহেরুল সুজনসহ ১১৮ জন সাংবাদিক শারীরিক হেনস্তা ও হামলার শিকার হয়েছেন। একই সময়ে মেহেদী হাসান, শাকিল হোসেন, তাহির জামান, এটিএম তুরাব, প্রদীপ কুমার ভৌমিক ও সোহেল আখঞ্জিসহ ১৩ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।

নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের নেতারা বলেন, সাংবাদিকরা দেশের বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধের তথ্য তুলে ধরার পাশাপাশি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা মানবাধিকারের লঙ্ঘন বলেও তারা মন্তব্য করেন।

বিবৃতিতে দেশের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং আটক সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।

Manual1 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ