দ্বিতীয়বারের মতো পালিত হচ্ছে টোটাল ফিটনেস ডে

প্রকাশিত: ৪:৩৮ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৫, ২০২৪

দ্বিতীয়বারের মতো পালিত হচ্ছে টোটাল ফিটনেস ডে

Manual6 Ad Code

শরীরচর্চা বিষয়ক প্রতিবেদক | ঢাকা, ০৫ জানুয়ারি ২০২৪ : শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও আত্মিক সব দিক থেকে ফিটনেস অর্জনের আহ্বান জানিয়ে আজ দেশব্যাপী দ্বিতীয়বারের মতো পালিত হচ্ছে টোটাল ফিটনেস ডে।

এখন থেকে প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের প্রথম শুক্রবার দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Manual5 Ad Code

সুস্থ দেহ প্রশান্ত মন কর্মব্যস্ত সুখী জীবন প্রতিপাদ্য নিয়ে সারাদেশে দিবসটি উদযাপন করবে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন।

Manual8 Ad Code

এ উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে সকাল ৭টায় সচেতনতামূলক বিশেষ সেশনের আয়োজন করা হয়েছে। ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠানে থাকবে যোগ ব্যায়াম, শারীরিক ভারসাম্য পরীক্ষা বা বডি ব্যালান্স টেস্ট, সচেতনতামূলক বুলেটিন-ব্রোশিউর বিতরণসহ আলোচনা, প্রাণায়াম ও মেডিটেশন। শরীর চর্চাকারী ও স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরি করা বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও দিবসটি উদযাপন করবে। সারাদেশের বিভিন্ন উন্মুক্ত স্থানে এ ধরনের শতাধিক সেশন আয়োজিত হবে।

Manual1 Ad Code

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন জানায়, দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য টোটাল ফিটনেস নিয়ে মানুষের ভেতর যথাযথ সচেতনতা তৈরি করা। একজন মানুষের ভালো থাকা মানে সব দিক থেকেই ভালো থাকা। সব দিক মানে শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও আত্মিক এই চারটি দিকেই ভালো থাকা। সব দিক থেকে ফিট থাকলেই সার্বিকভাবে ভালো থাকা সম্ভব। তাই চার ক্ষেত্রের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ফিটনেস দরকার। দরকার টোটাল ফিটনেস।

শারীরিক ফিটনেস মানে সুস্থ থাকা, নিরোগ থাকা। এবং অবশ্যই কর্মক্ষম থাকা। এটা অর্জনের জন্যে ছোট ছোট কিছু বিষয়ে সচেতন হওয়াই যথেষ্ট। যেমন খাদ্যাভ্যাস।

ইমিউনোলজিস্ট প্রফেসর ক্যারোলা ভিনেস ও জেমস লি দীর্ঘ গবেষণার পর বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে এমন কিছু রোগের উৎপত্তি হচ্ছে, আগের কোনো সময়ে যার কোনো দেখা মেলেনি। তাঁরা এজন্যে দায়ী করেছেন খাদ্যাভ্যাস বিশেষ করে ফাস্টফুড ও প্যাকেটজাত খাবারের প্রতি বিশ্বজুড়ে সবার ব্যাপক আগ্রহকে (সূত্র : নিউইয়র্ক পোস্ট ১০ জানুয়ারি ২০২২)।

Manual8 Ad Code

খাদ্যাভ্যাস সঠিক করতে অর্থ নয়, প্রয়োজন মানসিকতার পরিবর্তন। টিনজাত, প্যাকেটজাত, প্রক্রিয়াজাত খাবারের বদলে বেশি বেশি প্রাকৃতিক খাবারে অভ্যস্ত হলে শারীরিক ফিটনেস অর্জিত হয় সহজে। রাতে বেশি না খেয়ে সকালে বেশি খেলে তা সুস্থতাকে নিশ্চিত করে। নিয়মিত হাঁটা, দৌড়ানো, যোগব্যায়াম, দম ইত্যাদির চর্চা দেহকে রাখে প্রাণবন্ত। রাতে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম এবং অবশ্যই ভালো ঘুম দেহের ক্লান্তি দূর করে দেহকে পরের দিনের জন্যে ফিট করে তোলে। আর এই সকল কিছুর জন্যে দরকার একটি সুন্দর ছন্দ।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ