ভাড়াউড়া চা বাগানে লেপ্রসি রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিদর্শন

প্রকাশিত: ৫:৩২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

ভাড়াউড়া চা বাগানে লেপ্রসি রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিদর্শন

Manual1 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার), ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভাড়াউড়া চা বাগানে লেপ্রসি (কুষ্ঠ) রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা কার্যক্রম ও রোগ প্রতিরোধে চলমান কর্মসূচি পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

Manual4 Ad Code

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) অনুষ্ঠিত এ পরিদর্শন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন টিবি ও লেপ্রসি কার্যক্রমের পরিচালক, মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মো. মামুনুর রহমান, বিভিন্ন দেশ থেকে আগত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (UH&FPO) ডা. সিনথিয়া তাসমিন।

Manual3 Ad Code

এ সময় শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং লেপ্রসি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (NGO) প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে ভাড়াউড়া চা বাগানের লেপ্রসি রোগীদের বর্তমান স্বাস্থ্য পরিস্থিতি, চিকিৎসাসেবা ও সেবার মান, রোগ শনাক্তকরণ, রোগীদের চিকিৎসার আওতায় নিয়ে আসা এবং লেপ্রসি প্রতিরোধে চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও স্থানীয় পর্যায়ের অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অতিথিরা।

Manual8 Ad Code

সংশ্লিষ্টরা জানান, লেপ্রসি রোগীদের দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার আওতায় আনা এবং চিকিৎসা কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অনুসরণ করার পাশাপাশি রোগটি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি। বিশেষ করে চা বাগান ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দিতে সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

পরিদর্শনকালে লেপ্রসি রোগীদের প্রতি সামাজিক বৈষম্য ও নেতিবাচক ধারণা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি তাদের সামাজিক মর্যাদা, অধিকার ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

Manual6 Ad Code

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, এনজিও এবং স্থানীয় পর্যায়ের অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে লেপ্রসি রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসাসেবা আরও জোরদার হবে এবং রোগীদের প্রতি বৈষম্য দূর করার ক্ষেত্রে কার্যকর অগ্রগতি আসবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ