চা-বাগানের সাহেবরা: ইতিহাস, উত্তরাধিকার ও স্মৃতি

প্রকাশিত: ১১:৫৫ অপরাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২৬

চা-বাগানের সাহেবরা: ইতিহাস, উত্তরাধিকার ও স্মৃতি

Manual8 Ad Code

আশরাফ উদ্দিন আহমেদ |

বাংলাদেশের চা-শিল্পের ইতিহাস কেবল একটি কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশের ইতিহাস নয়; এটি ঔপনিবেশিক অর্থনীতি, শ্রম অভিবাসন, ভূমি ব্যবস্থাপনা, করপোরেট প্রশাসন এবং এক স্বতন্ত্র সামাজিক সংস্কৃতিরও ইতিহাস।

প্রায় পৌনে দুই শতাব্দী ধরে গড়ে ওঠা এ শিল্পে ব্রিটিশ টি-প্লান্টারদের ভূমিকা ছিল মৌলিক। তাদের হাত ধরেই বৃহত্তর সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ অরণ্য ভূমিতে যে প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোর বিকাশ ঘটেছিল, তার বহু উপাদান আজও বাংলাদেশের চা-শিল্পে বহমান।

১৯৭৪ সালে চা-শিল্পে আমার কর্মজীবনের সূচনা। পরবর্তী ৪৮ বছরে জেমস ফিনলে, ডানকান ব্রাদার্স, দেউন্দি কোম্পানি ও ধামাই টি কোম্পানির বিভিন্ন বাগানে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। সহকারী ব্যবস্থাপক থেকে ব্যবস্থাপক, সুপারিনটেনডেন্ট ও জেনারেল ম্যানেজার—বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি উৎপাদন, গবেষণা ও প্রশাসনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলাম। বাংলাদেশ চা বোর্ড কর্তৃক নিবন্ধিত ১৭২টি চা-বাগানের মধ্যে ৪১টিরও বেশি বাগানে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমাকে এ শিল্পের বিবর্তন, ধারাবাহিকতা ও সংস্কৃতিকে কাছ থেকে দেখার বিরল সুযোগ দিয়েছে।

ব্রিটিশ প্লান্টারদের উত্তরাধিকার ও ব্যবস্থাপনা সংস্কৃতি

চা-শিল্পে প্রবেশের পর যে বিষয়টি আমাকে সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করেছিল, তা হলো ব্রিটিশ প্লান্টারদের নির্মিত প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি। এর মূল ভিত্তি ছিল শৃঙ্খলা, জবাবদিহিতা, নথিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।

প্রথম কোনো ব্রিটিশ প্লান্টারের সঙ্গে আমার পরিচয় ঘটে চাকরির সাক্ষাৎকারে। তিনি ছিলেন উইলিয়াম লায়াল ক্রুক পেট্রি, সবার কাছে পরিচিত ‘বিল পেট্রি’ নামে। ১৯৫৪ সালে জেমস ফিনলে কোম্পানিতে যোগ দেয়া এ অভিজ্ঞ প্লান্টার ছিলেন সেই প্রজন্মের প্রতিনিধি, যারা মাঠ পর্যায়ের কাজ থেকে ধাপে ধাপে প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বে পৌঁছেছিলেন।

পরবর্তীকালে তার সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে উপলব্ধি করি, ব্রিটিশ চা কোম্পানিগুলোর শক্তি ব্যক্তিকেন্দ্রিক নেতৃত্বে নয়, বরং সুসংগঠিত ও টেকসই ব্যবস্থাপনা কাঠামোয় নিহিত ছিল। বিল পেট্রি ছিলেন কঠোর ও আপসহীন; তার প্রশাসনিক দর্শনের কেন্দ্রে ছিল ন্যায়পরায়ণতা ও আর্থিক স্বচ্ছতা। প্রতিটি ব্যয়ের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে হতো এবং ব্যক্তিগত প্রভাব খাটানোর সংস্কৃতি তিনি নিরুৎসাহিত করতেন। আজকের করপোরেট বাস্তবতায় ফিরে তাকালে তার সেই আর্থিক শৃঙ্খলার গুরুত্ব আরো স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

স্বাধীনতা-উত্তর চা-শিল্পে ইউরোপীয় প্লান্টারদের ভূমিকা

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের চা-শিল্পে এক গভীর সংকটের জন্ম দিয়েছিল। যুদ্ধ চলাকালে অধিকাংশ পশ্চিম পাকিস্তানি ও ইউরোপীয় কর্মকর্তা দেশ ত্যাগ করেন। পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে ইউরোপীয় প্লান্টারদের একটি অংশ পুনরায় বাংলাদেশে ফিরে আসেন। জেমস ফিনলেতে ফিরে আসা এ প্লান্টারদের মধ্যে নরম্যান স্মিথ, জিমি ম্যাকনি, জন কিং ও বিল পেট্রি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

তারা ছিলেন ঔপনিবেশিক যুগের শেষ পেশাদার প্লান্টারদের প্রতিনিধি। সততা, কর্মনিষ্ঠা, নিরপেক্ষতা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি দায়বদ্ধতার যে সমন্বয় তাদের মধ্যে দেখেছি, তা আজও স্মৃতিতে উজ্জ্বল। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের চা-শিল্পের পুনরুদ্ধার ও স্থিতিশীলতায় তাদের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল বলে আমার বিশ্বাস।

পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক কল্যাণ: এক জটিল উত্তরাধিকার

চা-বাগানের ইতিহাস মূল্যায়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, ব্রিটিশ প্লান্টাররা কি কেবল শাসক ছিলেন, নাকি অভিভাবকও ছিলেন?

বাস্তবতা হলো, তারা উভয় ভূমিকাই পালন করেছেন। ঔপনিবেশিক পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তারা শ্রমিকদের জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন; আবার একই সঙ্গে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার দায়িত্বও বহন করতেন।

এ মানসিকতার একটি স্মরণীয় উদাহরণ দেখেছিলাম কোম্পানির চেয়ারম্যান রিচার্ড মিউরের মধ্যে। একবার তিনি একটি ফ্যাক্টরি পরিদর্শনের সময় লক্ষ্য করেন শ্রমিকরা উচ্চ শব্দের মধ্যে কাজ করছে, অথচ কানের সুরক্ষার ব্যবস্থা নেই। ব্যয়ের প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন, ‘‌আমরা ভাগ্যবান; কিন্তু যারা আমাদের জন্য কাজ করছে, তারা আমাদের মতো সৌভাগ্যবান নয়। তাদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে।’

এ বক্তব্যে কেবল মানবিকতা নয়, করপোরেট দায়িত্ববোধেরও এক গভীর দর্শন প্রতিফলিত হয়েছিল।

জিমি ম্যাকনি ও তার স্ত্রী ক্যাটরিনা ম্যাকনির মধ্যেও একই মানবিকতা দেখা গেছে। রমজানের একদিন দীর্ঘক্ষণ কাজ করার পর এক সহকর্মী ইফতারের আগে ক্লান্ত হয়ে ফ্যাক্টরির একটি চেয়ারে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে ক্যাটরিনা ম্যাকনি বড় বাংলো থেকে তার জন্য বিশেষ ইফতারের ব্যবস্থা করেন। ছোট ঘটনাটিও চা-বাগানের মানবিক সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।

চাতলাপুর বড় বাংলো

চা-বাগান: একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রশাসনিক জগৎ

ফিলিপ আরএইচ লংলির ‘টি প্ল্যান্টার সাহিব’ বইটি চা-বাগানকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রশাসনিক একক হিসেবে বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দলিল। আমার কর্মজীবনের শুরুর দিকেও সে ব্যবস্থার সুস্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যেত।

তৎকালীন বাগান ব্যবস্থাপক কেবল উৎপাদনের দায়িত্বে সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তিনি ছিলেন প্রশাসক, মধ্যস্থতাকারী, বিচারক ও স্থানীয় নেতৃত্বের প্রতীক। শ্রমিকরা অনেক সময় তাকে ‘রাজা’, ‘মালিক’ কিংবা ‘হুজুর’ বলে সম্বোধন করত। এ সম্বোধন বাগানভিত্তিক ক্ষমতা কাঠামোর সামাজিক প্রতিফলন।

তবে সময়ের সঙ্গে সে বাস্তবতার পরিবর্তন ঘটেছে। শ্রম আইন, ট্রেড ইউনিয়ন, সরকারি তদারকি, গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের বিস্তারের ফলে আজকের বাগান ব্যবস্থাপনা অনেক বেশি জবাবদিহিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক।

সীমান্তবর্তী অরণ্য থেকে অর্থনৈতিক জনপদ

Manual4 Ad Code

চা-বাগানের ইতিহাস মূলত বনভূমিকে অর্থনৈতিক ভূদৃশ্যে রূপান্তরের ইতিহাস। প্রবীণ কর্মচারীদের কাছ থেকে শুনেছি, নতুন বাগান স্থাপনের আগে উঁচু গাছে উঠে চারপাশ পর্যবেক্ষণ করা হতো। পানির উৎস, ভূমির প্রকৃতি ও যোগাযোগের সম্ভাবনা বিবেচনা করে স্থান নির্বাচন করা হতো।

এরপর ধাপে ধাপে গড়ে উঠত নার্সারি, বাংলো, হাসপাতাল, স্কুল, কারখানা ও শ্রমিক লাইন। ফলে একটি চা-বাগান কেবল কৃষি উৎপাদনের কেন্দ্র নয়; বরং একটি পূর্ণাঙ্গ জনপদে পরিণত হতো। বাংলাদেশের বহু অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিকাশে এসব জনপদের অবদান গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী।

Manual4 Ad Code

রোগ, মৃত্যু ও সীমান্তজীবনের বাস্তবতা

ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে চা-বাগানের জীবন ছিল অত্যন্ত কঠিন। ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, কলেরা ও অন্যান্য সংক্রামক রোগ ছিল নিত্যসঙ্গী। সীমিত চিকিৎসা সুবিধা ও দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থা পরিস্থিতিকে আরো দুর্বিষহ করে তুলেছিল।

আজও বিভিন্ন চা-বাগানের পুরনো কবরস্থানে গেলে দেখা যায়, কত অল্প বয়সে বহু ইউরোপীয় প্লান্টার, তাদের স্ত্রী ও সন্তান মৃত্যুবরণ করেছেন। এসব সমাধিফলক চা-শিল্পের ইতিহাসের নীরব দলিল, যা অর্থনৈতিক সাফল্যের পাশাপাশি মানবিক ত্যাগ ও সীমান্তজীবনের কঠোর বাস্তবতার কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়।

ক্লাব সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবন

চা-বাগানের ইতিহাসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ক্লাব সংস্কৃতি। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চলের মতো এখানেও ক্লাব ছিল সামাজিক যোগাযোগ, সাংস্কৃতিক চর্চা ও পারস্পরিক সংহতির কেন্দ্র।

Manual3 Ad Code

টেনিস, ক্রিকেট, বিলিয়ার্ড, ব্রিজ, নৈশভোজ ও নানা সামাজিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে একটি স্বতন্ত্র সামাজিক পরিমণ্ডল গড়ে উঠেছিল। প্রায় তিন দশক আমিও এ সংস্কৃতির অংশ ছিলাম। এসব ক্লাব শুধু বিনোদনের স্থানই নয়; ছিল পেশাগত নেটওয়ার্ক, পারিবারিক বন্ধন ও সামাজিক পরিচয় নির্মাণেরও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।

ডানকান ব্রাদার্সে কর্মরত অবস্থায় প্রায় প্রতি মাসেই আমাকে ১৮৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত চাতলাপুর চা-বাগান পরিদর্শনে যেতে হতো এবং সেখানকার ম্যানেজার বাংলোয়ই রাত্রিযাপন করতাম। শমশেরনগরের নিকটবর্তী এ দোতলা বাংলোটি ছিল ডানকানের সবচেয়ে বৃহৎ ও ব্যতিক্রমী স্থাপত্যগুলোর একটি। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এটি একটি যুদ্ধ সদর দপ্তরে পরিণত হয়েছিল। এখানে সংঘটিত এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বহু পাকিস্তানি সেনা নিহত হয় এবং বাংলোটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে এটি শুধু একটি বাংলো নয়, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসেরও এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।

স্মৃতি, সম্পর্ক ও মানবিক উত্তরাধিকার

Manual3 Ad Code

চা-বাগানকে কেবল উৎপাদনের স্থান হিসেবে দেখলে তার প্রকৃত চরিত্র বোঝা যায় না। এটি মানুষের স্মৃতি, সম্পর্ক ও আবেগেরও এক বিশেষ জগৎ।

সম্প্রতি মাইকেল স্টোরিয়ার নামে এক ভদ্রলোক বাংলাদেশে আসেন। তার বাবা ছিলেন আলীনগর চা-বাগানের ম্যানেজার। ১৯৭০ সালে দেশ ছাড়ার সময় মাইকেলের বয়স ছিল মাত্র আড়াই বছর। বাংলাদেশে এসে ঘটনাক্রমে তার শৈশবের আয়া সেলিনার সঙ্গে দেখা হয়। এত বছর পর তাকে চিনে নেয়ার কোনো উপায় ছিল না। কিন্তু সেলিনা সেই পুরনো ঘুমপাড়ানি ছড়াটি গেয়ে শোনান, যা তিনি শিশুকালে মাইকেলকে শোনাতেন। মুহূর্তেই যেন অর্ধশতাব্দীর ব্যবধান বিলীন হয়ে যায়। দুজন একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন।

১৯৮১ সালে প্রশিক্ষণের জন্য ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড সফরের সুযোগ হয়েছিল। সেখানে কোম্পানির সেক্রেটারি ডেরেক পিয়ারসন ও তার স্ত্রী শিনা পিয়ারসনের অতিথি হওয়ার সৌভাগ্য হয়। একইভাবে জেমস ফিনলের পরিচালক লিন্ডসে স্টোনউইগ ও তার স্ত্রী মার্গারেট জিন স্টোনউইগের আতিথেয়তা আজও স্মরণীয়। স্কটল্যান্ডের ডানব্লেনে তাদের বাড়িতে অবস্থানকালে উপলব্ধি করেছি, প্রকৃত নেতৃত্বের সঙ্গে ভদ্রতা, সৌজন্য ও মানবিকতার গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতায় আমার উপলব্ধি, বাংলাদেশের চা-শিল্প কেবল ঔপনিবেশিক শোষণ বা শিল্পোন্নয়নের ইতিহাস নয়; এটি উদ্যোগ, ব্যবস্থাপনা, শ্রম, সামাজিক সম্পর্ক ও ধারাবাহিক রূপান্তরের ইতিহাস। ব্রিটিশ প্লান্টারদের উত্তরাধিকার বিতর্কমুক্ত না হলেও তাদের প্রতিষ্ঠিত পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতির ছাপ আজও শিল্পটির অবকাঠামো ও চর্চায় বিদ্যমান। এ ঐতিহ্যের অংশ হয়ে তার বিবর্তন প্রত্যক্ষ করার সুযোগকে আমি সৌভাগ্য বলে মনে করি। আমার কাছে চা-বাগানের ইতিহাস মূলত মানুষ, প্রতিষ্ঠান ও সময়ের দীর্ঘ সহযাত্রার এক অনন্য আখ্যান।
#
আশরাফ উদ্দিন আহমেদ
ডানকান ব্রাদার্স, কনসালট্যান্ট, ২০১৬-২২

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ